নিয়মিত শরীরচর্চা আর সামঞ্জস্যপূর্ণ জীবনযাপন
দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। শহর-গ্রাম জুড়ে শুরু হয়েছে সাজগোজের তোড়জোড়। এমন সময়ে অনেকেই চান রূপালি পর্দার নায়িকা ইশা সাহার মতো ছিপছিপে ও আকর্ষণীয় চেহারা পেতে। কিন্তু ইশার মতে, শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি নিলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। বরং সারা বছর ধরে সঠিক খাবার ও শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুললেই সুস্থতা ও সৌন্দর্য বজায় থাকে।
ইশা তার সাজগোজে খানিকটা উদাসীন হলেও জীবনযাপনে কিন্তু যথেষ্ট সচেতন। খাবারের প্রতি তার ভালোবাসা অটুট, কিন্তু তিনি কখনোই অযথা কৃচ্ছ্রসাধন বা কঠোর ডায়েট মেনে চলেন না। মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করলে নিজেকে আটকান না, তবে জীবনের নিয়ম থেকে চিনি প্রায় পুরোপুরি বাদ দিয়েছেন। চা-কফি অনেকদিন ধরেই তিনি বিনা চিনিতে পান করেন। তার দর্শন স্পষ্ট—”যা খেতে মন চাইবে, খাও, তবে ব্যায়াম করে তার ভারসাম্য রক্ষা করো।”
তার খাবারের প্লেটে প্রতিদিনই থাকে নতুনত্ব। সকালে থাকে কলা, দুইটি ডিমের সাদা অংশ এবং একটি পুরো ডিমের অমলেট। কখনো চিঁড়ের পোলাও বা শুধু প্রোটিন শেকও পছন্দ করেন। দুপুরে ভাত, মাছ বা মাংসের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার, ডাল এবং সবজি থাকে নিয়মিত। পাতে মাঝে মাঝে ভাজাভুজি কিংবা প্রিয় ভর্তাও দেখা যায়।
সন্ধ্যায় হালকা ক্ষুধা মেটাতে ইশা খান মাখানা, বাদাম, চিজ় বা ডার্ক চকোলেটের মতো স্বাস্থ্যকর খাবার। রাতের খাবারে তিনি রাখেন চারটি ডিমের সাদা অংশ, একটি গোটা ডিম বা প্রোটিন শেক। মিষ্টি খেতে ইচ্ছে হলে দুপুরেই তা মিটিয়ে নেন, কারণ রাতে শারীরিক কার্যকলাপ কম থাকে।
খাবারের পাশাপাশি শরীরচর্চাও তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন জিমে যান। ইশার মতে, নিয়মিত অল্প পরিমাণ শরীরচর্চা করলে কখনোই অতিরিক্ত কষ্ট করতে হয় না। কিন্তু দীর্ঘদিন ব্যায়াম বন্ধ থাকলে পরিশ্রমও বেড়ে যায়।
এই সহজ-সরল জীবনধারাই ইশাকে দিয়েছে তার স্বতঃস্ফূর্ত সৌন্দর্য ও তন্বী চেহারা। সুতরাং দুর্গাপুজোর আগে তার মতো ঝরঝরে থাকতে চাইলে আজ থেকেই শুরু করুন সুষম খাবার আর নিয়মিত ব্যায়াম।
ওড়িশায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি, ১৩৯৬ কোটির প্রতারণা মামলায় উদ্ধার কোটি টাকার সম্পদ