ইলিশের তেল থেকে ৩০ কেজি চাল—শ্বশুরবাড়িতে হাসি-খুনসুটিতে মন জিতলেন অদ্রিজা

শ্বশুরবাড়িতে হাসি-খুনসুটিতে মন জিতলেন অদ্রিজা! সাতপাক ঘোরা এখনও কিছুটা দূরের কথা। তবে তার আগেই শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে যে দারুণ ভাবে মিশে গিয়েছেন অভিনেত্রী অদ্রিজা রায়, তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট। সম্প্রতি প্রেমিক…

February 3, 2026
1 min read

শ্বশুরবাড়িতে হাসি-খুনসুটিতে মন জিতলেন অদ্রিজা!

সাতপাক ঘোরা এখনও কিছুটা দূরের কথা। তবে তার আগেই শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে যে দারুণ ভাবে মিশে গিয়েছেন অভিনেত্রী অদ্রিজা রায়, তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট। সম্প্রতি প্রেমিক বিগ্নেশ আইয়ারের সঙ্গে আংটিবদল সেরেছেন তিনি। বিয়ে আপাতত আগামী দু’বছরের মধ্যে নয়। কিন্তু বাগ্‌দানের পর থেকেই হবু স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে জমে উঠেছে আড্ডা, গল্প আর নির্ভেজাল খুনসুটি।

শ্বশুরবাড়ির কথা উঠতেই হাসিমুখে অদ্রিজা বললেন, “ওদের দু’ভাই। বিগ্নেশ বড়, তাই আমিই হব বাড়ির বড় বৌ।” কাজের ফাঁকেই ফোনে বা সামনাসামনি গল্পগুজব চলে সবার সঙ্গে। সেই গল্পের মধ্যেই জায়গা করে নেয় মজার সব ঘটনা—বিশেষ করে খাবার নিয়ে।

অদ্রিজা অকপটে স্বীকার করেন, তিনি খেতে ভীষণ ভালবাসেন। পছন্দের পদ পেলে নিজেকে আর আটকে রাখতে পারেন না। আর সেই পছন্দের তালিকায় ইলিশ থাকলে তো কথাই নেই। একদিন তাঁর পাতে ছিল গরম ভাত, সঙ্গে ইলিশ মাছ আর ইলিশের তেল। “এই কম্বিনেশন পেলে আর কিছু লাগে নাকি!”—হেসে বললেন তিনি। ঘটনাচক্রে এক হাঁড়িতে ছিল তিন জনের ভাত—অদ্রিজা, বিগ্নেশ আর অন্য একজনের। খাওয়ার আনন্দে মেতে তিনি একাই তিন জনের ভাত সাবাড় করে ফেলেন। বিগ্নেশ তা দেখেছিলেন, কিন্তু তখন কিছু বলেননি।

কয়েক দিন পর একই কাণ্ড আবার ঘটে। এ বার আর নিজেকে সামলাতে পারেননি বিগ্নেশ। মজা করেই অদ্রিজাকে নিয়ে হাজির হলেন মায়ের সামনে। ছেলের ‘অভিযোগ’, “মা, অদ্রিজা এলে আমাদের বাড়িতে আর মাসে ১৫ কেজি চালে হবে না। অন্তত ৩০ কেজি চাল আনতে হবে!” শুনে প্রথমে একটু অবাক হলেও, পরে পুরো ঘটনাটা জেনে হেসে ফেলেন হবু শাশুড়ি।

বরং উল্টে তিনি খুশিই হয়েছেন। আগেভাগেই বুঝে গিয়েছেন, পছন্দের খাবার পেলে অদ্রিজা মন ভরে খান। তাই আশ্বাস দিয়েছেন, বাড়িতে ভাল রান্না হলে বৌমা যেন তৃপ্তি করে খেতে পারেন, সেই ব্যবস্থাই আগে করবেন। শ্বশুরবাড়ির এই সহজ-স্বাভাবিক ভালোবাসাই অদ্রিজাকে আরও আপন করে নিয়েছে।

ভাষা নিয়েও কোনও জটিলতা নেই। অদ্রিজা জানালেন, শাশুড়ি মরাঠী, শ্বশুর তামিল। বাড়িতে মূলত মরাঠী ভাষাতেই কথা হয়। তিনি নিজেও সেই ভাষা শিখছেন। পাশাপাশি বিগ্নেশ বাংলা শেখার চেষ্টা করছেন। আর শ্বশুরবাড়িতে এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা বাংলা জানেন। তাই মন চাইলে বাংলায় আড্ডাও জমে যায় অনায়াসে।

এক সময় বলতেন, বিনোদন জগতের কাউকে বিয়ে করবেন না। সেই সিদ্ধান্তে বদল এলেও অদ্রিজার জীবনে আনন্দের ঘাটতি নেই। ইলিশের তেল, খুনসুটি আর ভালোবাসায় মোড়া এই নতুন অধ্যায় যে তাঁর কাছে ভীষণ প্রিয়—সে কথা বুঝিয়ে দিলেন হাসি আর গল্পের ফাঁকেই।

‘স্পিরিট’-এ প্রভাসের ১৬০ কোটি! নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ফারাক ঘিরে নতুন চর্চা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *