ইরানকে ফের হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, চুক্তির জন্য চাপ বাড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ইরানকে ফের হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের! ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ফের কঠোর অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে খুব শিগগিরই—সম্ভবত আগামী…

May 20, 2026
1 min read

ইরানকে ফের হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের!

ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ফের কঠোর অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে খুব শিগগিরই—সম্ভবত আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই—ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তাঁর বক্তব্যে ফের স্পষ্ট হয়েছে, ওয়াশিংটন এখন আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে রাজি নয়।

ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “দু’–তিন দিনের মধ্যে, হয় শুক্রবার বা শনিবার, কিংবা আগামী সপ্তাহের শুরুতেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব।” তাঁর দাবি, ইরানকে চুক্তির পথে আনতে চাপ বাড়াতেই এই সময়সীমা নির্ধারণ। অর্থাৎ, কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হলে সামরিক বিকল্পই সক্রিয় হতে পারে।

তবে এই কড়া বার্তার মাঝেও এখনই হামলা হয়নি। ট্রাম্প জানান, মঙ্গলবারই ইরানে আঘাত হানার একটি পরিকল্পনা তৈরি ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়। তাঁর দাবি, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ তাঁকে আপাতত সংযম দেখানোর অনুরোধ করেছিল। সেই অনুরোধ বিবেচনা করেই তিনি সিদ্ধান্ত বদল করেন বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্প আরও বলেন, প্রয়োজন হলে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই সামরিক অভিযান শুরু করার অনুমোদন দেওয়া সম্ভব ছিল। তাঁর ভাষায়, “আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম।” তবে তিনি একই সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের দরজাও পুরোপুরি বন্ধ করতে চান না—আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব বলেও ইঙ্গিত দেন।

মূল বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান, ইরান কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার করতে পারবে না—এই শর্ত নিশ্চিত করেই ভবিষ্যৎ চুক্তি হতে হবে। কিন্তু তেহরান এখনও এই শর্তে সম্মত হয়নি। বরং বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অন্য কোনও দেশের কাছে হস্তান্তর করতে পারে, এমনকি রাশিয়ার কাছে দেওয়ার সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে।

এই প্রস্তাব নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। কারণ, ইউরেনিয়াম সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার ভূমিকা সরাসরি শক্তির ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে।

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত স্পর্শকাতর। একদিকে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, অন্যদিকে সামরিক হুঁশিয়ারি—দুইয়ের মধ্যেই আটকে আছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিক।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *