‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’র ফাঁদে বিহারের তরুণী, খোয়া গেল আড়াই লক্ষ টাকা, পরে রেললাইনের ধারে উদ্ধার দেহ

‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’র ফাঁদে বিহারের তরুণী! বিহারের পটনায় রেললাইনের ধারে এক তরুণীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। সম্প্রতি সাইবার অপরাধীদের ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’র ফাঁদে পড়ে তিনি আড়াই লক্ষ টাকা খুইয়েছিলেন বলে…

October 11, 2026
1 min read

‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’র ফাঁদে বিহারের তরুণী!

বিহারের পটনায় রেললাইনের ধারে এক তরুণীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। সম্প্রতি সাইবার অপরাধীদের ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’র ফাঁদে পড়ে তিনি আড়াই লক্ষ টাকা খুইয়েছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। তরুণীর মৃত্যু আত্মহত্যা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৫ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওই তরুণী। শুক্রবার পটনার কুমহার রেলস্টেশনের কাছে রেললাইনের ধার থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এর পরেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তকারীরা তরুণীর মোবাইল ফোনের তথ্য এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখতে গিয়ে সাইবার প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারেন।

একাধিক দফায় আড়াই লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

তদন্তকারীদের দাবি, গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে একটি নির্দিষ্ট ফোন নম্বর থেকে বার বার তরুণীর কাছে ফোন আসত। তরুণীও ওই নম্বরে একাধিক বার ফোন করেছিলেন। এই যোগাযোগের সূত্র ধরেই সাইবার অপরাধীদের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগসূত্র তৈরি হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

তরুণীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, দিল্লি, কেরল এবং উত্তরপ্রদেশের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন হয়েছিল। বিভিন্ন দফায় মোট আড়াই লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। তরুণীর কল রেকর্ড পরীক্ষা করে ১০টি সন্দেহভাজন ফোন নম্বরেরও সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা। ওই নম্বরগুলির সঙ্গে সাইবার অপরাধীদের যোগ রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

আত্মহত্যা, না কি খুন? তদন্তে পুলিশ

‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’ বা ডিজিটাল অ্যারেস্টের নামে প্রতারণার ক্ষেত্রে অপরাধীরা সাধারণত নিজেদের পুলিশ, তদন্তকারী সংস্থা বা অন্য কোনও সরকারি দফতরের আধিকারিক বলে পরিচয় দেয়। তার পর গ্রেফতারি বা আইনি ব্যবস্থার ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে। এই তরুণীর ক্ষেত্রেও একই ধরনের কৌশল ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

তদন্তকারীদের আশঙ্কা, টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তরুণীকে কোনও ভাবে ব্ল্যাকমেল করা হয়েছিল কি না, কিংবা তাঁকে ভয় দেখিয়ে মানসিক চাপে রাখা হয়েছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও তথ্য সামনে আসেনি।

প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, তরুণী আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। কিন্তু তাঁকে খুন করা হয়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে বিভিন্ন সূত্র ধরে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *