পেটের গ্যাস, বদহজমে বারবার ওষুধ নয়, ভরসা রাখুন কাঞ্জিতে!!
চোঁয়াঢেকুর, পেট ফাঁপা, গ্যাস, বদহজম বা পেটব্যথার সমস্যায় অনেকেই নিয়মিত অ্যান্টাসিড বা গ্যাসের ওষুধ খেয়ে থাকেন। তবে চিকিৎসকদের মতে, প্রয়োজন ছাড়া দীর্ঘদিন এমন ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য ভালো নয়। বরং হজমশক্তি ভালো রাখতে খাদ্যতালিকায় যোগ করা যেতে পারে প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ পানীয় কাঞ্জি। ফারমেন্টেড এই ঐতিহ্যবাহী পানীয় অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে এবং হজমের সমস্যাও অনেকটা কমাতে পারে। তবে দীর্ঘদিন ধরে পেটের সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
১. মশলা কাঞ্জি
উপকরণ
- ২ টেবিলচামচ সর্ষে
- ১/৪ চা-চামচ হিং
- ১/৪ চা-চামচ গোলমরিচ
- ১ টেবিলচামচ ভাজা জিরে
- ১/২ চা-চামচ লঙ্কাগুঁড়ো
- ১/৪ চা-চামচ হলুদগুঁড়ো
- স্বাদমতো বিটনুন
- ২ টেবিলচামচ দই
- ২ লিটার গরম জল
প্রস্তুত প্রণালি
সব শুকনো মশলা একসঙ্গে গুঁড়ো করে নিন। একটি বড় কাচের পাত্রে মশলার মিশ্রণ ও দই মিশিয়ে তার মধ্যে গরম জল ঢেলে ভালোভাবে নাড়ুন। এরপর মলমলের কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে ৩-৪ দিন রোদ বা আলো-বাতাস লাগে এমন জায়গায় রেখে দিন। প্রতিদিন একবার করে নেড়ে দিন। কয়েক দিনের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু মশলা কাঞ্জি।
২. গাজর-বিটের কাঞ্জি
উপকরণ
- ১টি বিট
- ১টি গাজর
- ২ টেবিলচামচ সর্ষেগুঁড়ো
- ১ টেবিলচামচ বিটনুন
- ১ চা-চামচ লঙ্কাগুঁড়ো
- স্বাদমতো নুন
- ১ লিটার জল
প্রস্তুত প্রণালি
বিট ও গাজর ছোট ছোট টুকরো করে কেটে কাচের পাত্রে নিন। বাকি সব উপকরণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে ৩-৪ দিন ফারমেন্ট হতে দিন। প্রতিদিন একবার করে নাড়িয়ে নিলে স্বাদ আরও ভালো হবে। তৈরি হয়ে গেলে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।
৩. ভাতের কাঞ্জি
উপকরণ
- পান্তাভাত
- সর্ষের তেল
- রসুন
- শুকনো লঙ্কা
- নুন
- পেঁয়াজকুচি
- ধনেপাতাকুচি
- গন্ধরাজ লেবুর রস
- প্রয়োজনমতো জল
প্রস্তুত প্রণালি
সর্ষের তেলে রসুন ও শুকনো লঙ্কা ভেজে নিন। এরপর পান্তাভাতের সঙ্গে ভাজা রসুন ও লঙ্কা ব্লেন্ড করে কাচের পাত্রে ঢালুন। প্রয়োজনমতো জল মিশিয়ে নুন, পেঁয়াজকুচি, ধনেপাতা এবং গন্ধরাজ লেবুর রস মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে ভাতের কাঞ্জি।
নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে পরিমিত পরিমাণে কাঞ্জি খেলে হজমশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে। তবে যদি দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস, পেটব্যথা, রক্তমিশ্রিত পায়খানা, ওজন কমে যাওয়া বা বারবার বদহজমের মতো সমস্যা থাকে, তাহলে শুধুমাত্র ঘরোয়া উপায়ের উপর নির্ভর না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?