ইরানের সম্পদ মুক্তি নিয়ে নতুন চাপ, কৃষিপণ্য কেনার শর্ত মানতে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

ইরানের সম্পদ মুক্তি নিয়ে নতুন চাপ! আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক সমঝোতার আবহে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ব্যবহারের শর্ত নিয়ে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump স্পষ্ট…

June 23, 2026
1 min read

ইরানের সম্পদ মুক্তি নিয়ে নতুন চাপ!

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক সমঝোতার আবহে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ব্যবহারের শর্ত নিয়ে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করলে ইরানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে তিনি পিছপা হবেন না।

সুইৎজ়ারল্যান্ডে সাম্প্রতিক বৈঠকের পর দুই দেশ আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। আলোচনার অংশ হিসেবে ইরানি তেলের উপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে এবং দীর্ঘদিন আটকে থাকা প্রায় ১,২০০ কোটি ডলারের সম্পদ মুক্তির বিষয়েও অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি তেহরানের।

তবে এই সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রেই মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, মুক্ত হওয়া অর্থ মূলত আমেরিকার কাছ থেকে খাদ্যশস্য ও কৃষিপণ্য কেনার জন্য ব্যবহার করার কথা। তাঁর বক্তব্য, ইরানের বিপুল জনসংখ্যার খাদ্যচাহিদা পূরণে এই অর্থ ব্যয় করা হলে তা শেষ পর্যন্ত মার্কিন কৃষকদের কাছেই ফিরে আসবে।

ট্রাম্প বলেন, “ইরান যদি চুক্তি মেনে না চলে বা সঠিক আচরণ না করে, তা হলে যা প্রয়োজন, আমি তাই করব।” তাঁর মতে, এই ব্যবস্থায় একদিকে ইরানের সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে, অন্যদিকে আমেরিকার কৃষি অর্থনীতিও লাভবান হবে।

এ বিষয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance-ও আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, কাতারের মধ্যস্থতায় একটি কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে মুক্ত হওয়া অর্থের উপর নজরদারি থাকবে আমেরিকা ও কাতারের। সেই অর্থ দিয়ে সয়াবিন, ভুট্টা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কেনার প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে।

অন্যদিকে, ইরান এই ব্যাখ্যা মানতে রাজি নয়। Abdolnaser Hemmati দাবি করেছেন, বর্তমান চুক্তিতে আমেরিকার কাছ থেকেই কৃষিপণ্য কিনতে হবে— এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। তাঁর বক্তব্য, মুক্ত হওয়া সম্পদ শুধু অত্যাবশ্যকীয় পণ্য কেনার জন্য ব্যয় করতে হবে, এমন শর্তও আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিতে উল্লেখ নেই।

ফলে দুই পক্ষের ব্যাখ্যার মধ্যে স্পষ্ট ফারাক দেখা দিয়েছে। একদিকে ওয়াশিংটন অর্থ ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে চাইছে, অন্যদিকে তেহরান নিজের আর্থিক স্বাধীনতা বজায় রাখার পক্ষে সওয়াল করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মতবিরোধ আগামী দিনের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ এবং আটকে থাকা সম্পদ মুক্তির বিষয়টি বর্তমানে আমেরিকা-ইরান সম্পর্কের সবচেয়ে সংবেদনশীল ইস্যুগুলির অন্যতম। যদি দুই দেশ শর্তের ব্যাখ্যা নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারে, তবে সদ্য শুরু হওয়া কূটনৈতিক অগ্রগতিও বাধার মুখে পড়তে পারে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *