হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েও শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে ট্রাম্প!
Donald Trump ফের ইরানকে কড়া বার্তা দিলেও শেষ পর্যন্ত সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, মঙ্গলবারই ইরানে নতুন করে হামলার পরিকল্পনা ছিল আমেরিকার। তবে উপসাগরীয় কয়েকটি “বন্ধুরাষ্ট্র”-এর অনুরোধে আপাতত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ওয়াশিংটন।
বর্তমানে United States এবং Iran-এর মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ বন্ধ থাকলেও উত্তেজনা এখনও তুঙ্গে। বিশেষ করে হরমুজ় প্রণালী ঘিরে দুই দেশের মধ্যে চাপানউতর অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে আলোচনা হলেও তা থেকে স্থায়ী কোনও সমাধান বেরোয়নি।
এই পরিস্থিতিতে Qatar, Saudi Arabia এবং United Arab Emirates-এর রাষ্ট্রনেতারা ট্রাম্পকে অনুরোধ জানান, এখনই যেন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ না করা হয়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওই দেশগুলির সঙ্গে কথা বলেই তিনি বুঝেছেন যে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সম্ভাবনা এখনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।
সমাজমাধ্যম Truth Social-এ ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত রাখা হলেও মার্কিন সেনা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। তাঁর কথায়, গ্রহণযোগ্য কোনও চুক্তি না হলে আমেরিকা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারে।
তবে কী ধরনের হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প। এমনকি মার্কিন বাহিনী মঙ্গলবারই অভিযান চালাতে পারে— এমন কোনও তথ্যও আগে প্রকাশ্যে আসেনি।
এর আগেও ইরানকে নিয়ে একাধিক কড়া মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। সম্প্রতি এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “ইরানের জন্য সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।” তাঁর দাবি, তেহরান যদি দ্রুত আলোচনায় না বসে, তবে তাদের জন্য “আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না।”
মার্কিন প্রশাসনের মূল উদ্বেগ ইরানের পরমাণু কর্মসূচি। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও ভাবেই ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না। তাঁর দাবি, এমন একটি চুক্তির বিষয়ে আলোচনা চলছে যা আমেরিকার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
তবে সেই সঙ্গে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন তিনি। আলোচনায় অগ্রগতি না হলে মার্কিন সামরিক বাহিনী যে বড় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত, তা ফের স্পষ্ট করে দিয়েছেন ট্রাম্প।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা