ট্রাম্পের বার্তা সত্ত্বেও ইরানে হামলা!
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-কে ফোন করে ইরানের বিরুদ্ধে অবিলম্বে পাল্টা হামলা না চালানোর অনুরোধ করেছিলেন বলে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। ট্রাম্পের যুক্তি ছিল, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা এবং সম্ভাব্য সমঝোতা যাতে ভেস্তে না যায়।
তবে সেই আহ্বানের পরও সোমবার ইজ়রায়েল পশ্চিম ও মধ্য ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন হামলা চালিয়েছে বলে খবর। ইজ়রায়েলের দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল সামরিক অবকাঠামো। অন্যদিকে ইরানের রাজধানী তেহরান-সহ একাধিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে।
কী হয়েছিল তার আগে?
- লেবাননে ইজ়রায়েলি অভিযানের জেরে ইরান ইজ়রায়েলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
- ইজ়রায়েলের দাবি, অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিহত করা হয়েছে।
- এর পর ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেন, দুই পক্ষেরই আর নতুন করে হামলা চালানো উচিত নয় এবং আলোচনার টেবিলে ফেরা প্রয়োজন।
ট্রাম্পের অবস্থান
ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এখনও বিশ্বাস করেন যে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্ভব। এমনকি তিনি মন্তব্য করেছেন যে সম্ভাব্য চুক্তির ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুরও তা মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।
এখন পরিস্থিতি কোথায়?
ইজ়রায়েলি সামরিক বাহিনী আগে থেকেই জানিয়েছিল যে রাজনৈতিক অনুমোদন পেলেই তারা ইরানের বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। অন্যদিকে ইরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ফলে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
এই মুহূর্তে ইরানে হামলার ফলে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। একইভাবে ইরান কী ধরনের পাল্টা পদক্ষেপ নেবে, সেটাও স্পষ্ট নয়। তবে ট্রাম্পের সংযমের আহ্বানের পরও সামরিক অভিযান চলায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা— দু’টিই নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?