“হেলদি চকোলেট আইসক্রিম”, সুগার-ফ্রি মজার রেসিপি!
গরমে আইসক্রিম খেতে ইচ্ছে হলেও অনেকেই চিন্তায় থাকেন—চিনি, ক্যালোরি আর ওজন বাড়ার ভয়। কিন্তু সব আইসক্রিমই যে অস্বাস্থ্যকর, তা নয়। রান্নাঘরের সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়েই আপনি বানাতে পারেন স্বাস্থ্যকর চকোলেট আইসক্রিম, যেখানে থাকবে না অতিরিক্ত চিনি, কৃত্রিম রং বা প্রিজ়ারভেটিভ।
সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি রেসিপি হল নারকেলের দুধ দিয়ে বানানো চকোলেট আইসক্রিম। এতে ব্যবহার করা হয় ঘন নারকেলের দুধ, কোকো পাউডার, খেজুর আর সামান্য ভ্যানিলা এসেন্স। খেজুর প্রাকৃতিক মিষ্টি হিসেবে কাজ করে, ফলে আলাদা করে চিনি যোগ করার দরকার হয় না। সব উপকরণ ব্লেন্ড করে ফ্রিজে রেখে দিলেই তৈরি হয়ে যায় ক্রিমি আইসক্রিম।
আরেকটি সহজ ও জনপ্রিয় রেসিপি হলো “চকো-বানানা ব্লিস”—এখানে পাকা কলা, কোকো পাউডার আর সামান্য পিনাট বাটার একসঙ্গে ব্লেন্ড করা হয়। কলার প্রাকৃতিক মিষ্টতা ও ফাইবার এটিকে শুধু সুস্বাদুই নয়, তুলনামূলক স্বাস্থ্যকরও করে তোলে।
যারা আরও হাই-প্রোটিন অপশন খুঁজছেন, তাদের জন্য আছে ওটস-আমন্ড চকোলেট ডিলাইট। এতে ওটস, কাঠবাদামের দুধ, কোকো পাউডার আর অল্প মধু মিশিয়ে ফ্রিজে রাখা হয়। এতে ফাইবার ও প্রোটিন থাকে বেশি, ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভূতিও দেয়।
আর একটু “ডেসার্ট স্টাইল” চাইলে চকো ফাজ আইসক্রিমও বানানো যায়, যেখানে ডার্ক চকোলেট, মাখন, ডিম ও কোকো পাউডার ব্যবহার করা হয় এবং বেক করে ফ্রিজে সেট করা হয়।
সব মিলিয়ে, সঠিক উপকরণ ও পরিমিত উপায়ে বানালে আইসক্রিমও হতে পারে তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর ও উপভোগ্য। তবে “সুগার একেবারেই ক্ষতি করে না” বা “ওজন বাড়বেই না”—এ ধরনের দাবি পুরোপুরি সত্য নয়; পরিমাণ ও ডায়েটের ভারসাম্যই আসল বিষয়।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা