রাখির ভোজে অন্য স্বাদ!
রাখিবন্ধনের দিনে বাড়িতে আত্মীয়-পরিজনের আনাগোনা, তার সঙ্গে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া—সব মিলিয়ে উৎসবের আমেজ। দুপুরের পাতেও তাই চাই একটু অন্যরকম পদ। বেশি ঝক্কি না করে বানিয়ে ফেলতে পারেন মৌরি চিংড়ি। মৌরি ও গোলমরিচের সুগন্ধে চিংড়ির এই পদ গরম ভাত, পোলাও এমনকি ফ্রায়েড রাইসের সঙ্গেও দারুণ মানাবে।
উপকরণ
- মাঝারি চিংড়ি — ৫০০ গ্রাম
- হলুদ — ১ টেবিলচামচ
- মৌরি — ২ টেবিলচামচ
- গোলমরিচ — ১ টেবিলচামচ
- পেঁয়াজবাটা — ১ টেবিলচামচ
- আদা-রসুন-কাঁচালঙ্কাবাটা — ১ চা-চামচ
- টক দই — ১ টেবিলচামচ
- ঘি — ১ চা-চামচ
- কাঁচালঙ্কা — ৫-৬টি
- নুন ও চিনি — স্বাদমতো
- সর্ষের তেল — প্রয়োজনমতো
কী ভাবে বানাবেন?
প্রথমে চিংড়ি পরিষ্কার করে নুন ও হলুদ মাখিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট রেখে দিন। কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করে চিংড়িগুলি দু’মিনিটের মতো হালকা ভেজে তুলে রাখুন।
এ বার শুকনো কড়াইয়ে মৌরি ও গোলমরিচ সামান্য নাড়াচাড়া করে গুঁড়িয়ে নিন। চিংড়ি ভাজার তেলেই ঘি দিয়ে পেঁয়াজবাটা, আদা-রসুন-কাঁচালঙ্কাবাটা, হলুদ ও নুন দিয়ে ভাল করে কষান।
মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে মৌরি-গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন। আঁচ কমিয়ে ফেটানো টক দই মেশান। দু’মিনিট কষানোর পর ভাজা চিংড়ি দিয়ে দিন। সঙ্গে দিন চেরা কাঁচালঙ্কা।
মশলার সঙ্গে চিংড়ি ভাল করে মিশিয়ে সামান্য গরম জল দিন। কড়াই ঢেকে প্রায় পাঁচ মিনিট রান্না করুন। নামানোর আগে উপর থেকে সামান্য মশলার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিলেই তৈরি সুগন্ধি মৌরি চিংড়ি।
টিপস: চিংড়ি বেশি সময় রান্না করবেন না। তাতে চিংড়ি শক্ত হয়ে যেতে পারে। মৌরি ও গোলমরিচ হালকা ভেজে ব্যবহার করলেই পদের সুগন্ধ আরও সুন্দর হবে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।