যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত: ইরান নিয়ে কড়া অবস্থান ট্রাম্পের, তবু চুক্তির আশা অটুট

ইরান নিয়ে কড়া অবস্থান ট্রাম্পের! মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন— ইরানের সঙ্গে চলা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানোর ইচ্ছা তাঁর নেই। ভারতীয় সময় অনুযায়ী বুধবার সকালেই এই যুদ্ধবিরতির সময়সীমা…

April 22, 2026
1 min read

ইরান নিয়ে কড়া অবস্থান ট্রাম্পের!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন— ইরানের সঙ্গে চলা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানোর ইচ্ছা তাঁর নেই। ভারতীয় সময় অনুযায়ী বুধবার সকালেই এই যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা। তার আগেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে দিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের হাতে এত সময় নেই,”— অর্থাৎ দীর্ঘসূত্রিতা নয়, দ্রুত সিদ্ধান্তই চাইছেন তিনি।

তবে আশার দিকটাও পুরোপুরি বন্ধ করে দেননি ট্রাম্প। বরং তাঁর দাবি, সব জটিলতা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত একটি “চমৎকার চুক্তি” হতে পারে Iran-এর সঙ্গে।

এর আগে Islamabad-এ আমেরিকা ও ইরানের প্রথম দফার বৈঠক হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে ইরান আপস করতে রাজি হয়নি। অন্য দিকে, তেহরানের অভিযোগ— আমেরিকার সদিচ্ছার অভাবেই আলোচনার অগ্রগতি থমকে যায়।

এই টানাপড়েনের মধ্যেই দ্বিতীয় দফার বৈঠকের প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, কারণ ইরান ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে তারা এই বৈঠকে বসতে আগ্রহী নয়। ফলে কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখন অনেকটাই ধোঁয়াশায় ঢেকে গেছে।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে Strait of Hormuz। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ঘিরে দুই দেশের মধ্যে চাপানউতর থামেনি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রুটে অস্থিরতা তৈরি হলে তার প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতিতেও।

এ দিকে, মার্কিন প্রশাসনের একাংশ এখনও আশাবাদী যে আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। এমনকি কিছু আন্তর্জাতিক মহলও মনে করছে, শেষ মুহূর্তে হলেও সমঝোতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এই প্রেক্ষাপটে Pakistan মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে পারে বলেও জল্পনা চলছে।

তবে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তাঁর বক্তব্য, যদি কোনও চুক্তি ছাড়াই যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হয়, তা হলে সংঘাত নতুন করে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে— এমনকি বড়সড় হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সব মিলিয়ে, কূটনীতি, শক্তির প্রদর্শন এবং কৌশলগত চাপ— এই তিনের টানাপড়েনে দাঁড়িয়ে এখন আমেরিকা-ইরান সম্পর্ক। আগামী কয়েক দিনেই পরিষ্কার হবে, পরিস্থিতি শান্তির পথে এগোয়, না কি আবার সংঘর্ষের দিকে মোড় নেয়।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *