ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষের বার্তা Donald Trump-এর!
ইরান-আমেরিকা সংঘাত নিয়ে উত্তেজনা যখন চরমে, তখনই বড় দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তাঁর কথায়, যুদ্ধ আর দীর্ঘস্থায়ী হবে না—ইরান নাকি আরও দু’তিন সপ্তাহের বেশি লড়াই চালিয়ে যেতে পারবে না।
হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণে ট্রাম্প জানান, মার্কিন বাহিনী ইতিমধ্যেই ইরানের সামরিক শক্তির উপর বড় ধাক্কা দিয়েছে। তাঁর দাবি, ইরানের নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, বিমান বাহিনীও ভেঙে পড়েছে। এমনকি দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের বড় অংশ আর সক্রিয় নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সংগঠন Islamic Revolutionary Guard Corps-এর কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়ছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ক্ষমতাও আগের মতো শক্তিশালী নেই বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, অস্ত্র কারখানা, রকেট লঞ্চার—সবই ধাপে ধাপে ধ্বংস করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে দেন, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল করা এবং তাদের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা বন্ধ করা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “আমেরিকার সামরিক শক্তি অপ্রতিরোধ্য”—এবং এই যুদ্ধ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার জন্য জরুরি পদক্ষেপ।
তবে এই বক্তব্যের মধ্যেই উঠে এসেছে অন্য প্রসঙ্গও। ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট Nicolás Maduro-কে গ্রেফতারের অভিযানের জন্য মার্কিন বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তেল উৎপাদন নিয়ে আত্মনির্ভরতার কথাও বলেন—আমেরিকার আর বিদেশ থেকে তেল কেনার প্রয়োজন নেই বলেই দাবি তাঁর।
এই সংঘাতের সূত্রপাত কয়েক সপ্তাহ আগেই, যখন ইরানের উপর বড়সড় বিমান হামলা চালানো হয়। সেই অভিযানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও শীর্ষ নেতৃত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে খবর। তবে ইরানের নতুন নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে—বাইরের কোনও চাপ বা শর্ত তারা মেনে নেবে না।
ফলে ট্রাম্পের এই ‘দ্রুত যুদ্ধ শেষ’ হওয়ার দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিস্থিতি এখনও জটিল এবং যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা ততটা সহজ নয়।
সব মিলিয়ে, একদিকে আত্মবিশ্বাসী আমেরিকা, অন্যদিকে চাপে থাকা ইরান—এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা এখন সময়ই বলবে। তবে ট্রাম্পের বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি খুব দ্রুত এই যুদ্ধের ইতি টানতে চাইছেন।
শেষ লড়াইয়ের গল্প: জল থেকে তোলার পরও বেঁচে ছিলেন রাহুল, তবু বাঁচানো গেল না