Tanushree Dutta

“দিদির মতো সাহস পেলে জীবনটা অন্যরকম হত”—Ishita Dutta-র আবেগঘন জন্মদিনের বার্তা Tanushree Dutta-কে

Ishita Dutta-র আবেগঘন জন্মদিনের বার্তা Tanushree Dutta-কে! ১৯ মার্চ, অভিনেত্রী Tanushree Dutta-র জন্মদিন। বহু দিন তাঁকে বড়পর্দায় দেখা যায়নি, তবু তাঁর বিশেষ দিন ঘিরে আবেগে ভাসলেন বোন Ishita Dutta। শৈশবের…

March 19, 2026
1 min read

Ishita Dutta-র আবেগঘন জন্মদিনের বার্তা Tanushree Dutta-কে!

১৯ মার্চ, অভিনেত্রী Tanushree Dutta-র জন্মদিন। বহু দিন তাঁকে বড়পর্দায় দেখা যায়নি, তবু তাঁর বিশেষ দিন ঘিরে আবেগে ভাসলেন বোন Ishita Dutta। শৈশবের স্মৃতি থেকে শুরু করে আজকের অনুভূতি—সব মিলিয়ে এক আন্তরিক, একেবারে ঘরোয়া কথোপকথনেই উঠে এল দুই বোনের গভীর সম্পর্কের গল্প।

ঈশিতার কথায়, তাঁদের বাড়িতে জন্মদিন মানেই খুব বড়সড় আয়োজন নয়। ছোটবেলা থেকেই এই দিনটা কাটত সহজ-সরল ভাবে—একটা কেক, কিছু বন্ধু, আর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। “আজকাল জন্মদিন নিয়ে অনেক আয়োজন দেখি, কিন্তু আমাদের সময়ে সেভাবে কিছু ছিল না,”—বললেন তিনি। তনুশ্রী নাকি বরাবরই আড়ম্বর এড়িয়ে চলতে ভালবাসেন। ঈশিতার চোখে দিদি শুধু দিদি নন, অনেকটা মায়ের মতোই।

শৈশবের কথা উঠতেই মুখে হাসি ফুটে ওঠে তাঁর। দুই বোনের ঝগড়া, খুনসুটি—সবই ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। ছোট হওয়ায় ঈশিতা নিজেই স্বীকার করেন, একটু বেশি আদর পেয়েছেন তিনিই। তবে দিদির সঙ্গে সময় কাটানোর টান ছিল বরাবরই। দিদির বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার বায়না, আর সেই দলে নিজেকে জুড়ে নেওয়ার চেষ্টা—এই সব ছোট ছোট মুহূর্তই আজ স্মৃতিতে ভর করে আছে।

একটা মজার স্মৃতিও শোনালেন তিনি। ছোটবেলায় তনুশ্রী নাকি নিজের মতো করে ঈশিতার চুলে নানা ধরনের স্টাইল করে দিতেন। তখনকার দিনে এত সাজগোজের সরঞ্জামও ছিল না। সেই ‘এক্সপেরিমেন্টাল’ হেয়ারস্টাইল নিয়েই স্কুলে যেতে হত, আর বন্ধুরা হাসাহাসি করত। “আমারও হাসি পেত,”—বললেন ঈশিতা, মিষ্টি হাসিতে।

তবে স্মৃতির পাশাপাশি রয়েছে কিছু না-পাওয়ার আক্ষেপও। অনেক দিন ধরে ক্যামেরার সামনে দেখা যায়নি তনুশ্রীকে। বোনের ইচ্ছে, খুব শিগগিরই দিদিকে আবার বড়পর্দায় দেখা যাক—একটা শক্তিশালী চরিত্রে, দারুণ এক ‘কামব্যাক’-এর মাধ্যমে।

সবশেষে, ঈশিতার কথায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে তনুশ্রীর মানসিক দৃঢ়তা। তাঁর মতে, পরিবারের মধ্যে সবচেয়ে শক্ত মনের মানুষ তাঁর দিদি। “আমি অনেক সময় অন্যের উপর নির্ভরশীল, কিন্তু দিদি একেবারেই আলাদা। ও একা একা ভ্রমণ করে, নিজের মতো করে জীবন কাটায়। আমার সেই সাহসটাই নেই,”—স্বীকার করলেন তিনি।

তাই জন্মদিনে দিদির কাছে তাঁর একটাই চাওয়া—সেই অদম্য মনের জোর। কারণ, তাঁর বিশ্বাস, যদি সেই শক্তিটুকু তিনি পেতেন, তবে জীবনটা হয়তো আরও অনেক বেশি স্বাধীন আর সুন্দর হয়ে উঠত।

ধীরে ধীরে কমান চিনির অভ্যাস: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর কয়েকটি সহজ উপায়

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *