নিয়মভাঙাই তাঁর ফিটনেসের রহস্য!
পর্দায় ‘রহমান ডাকাত’ হয়ে দুর্দান্ত ছাপ ফেলেছেন অক্ষয় খন্না। ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে খলচরিত্রে অভিনয় করেও তিনিই যেন ছবির আসল নায়ক। সিনেমার সাফল্যের পর থেকেই দর্শকের কৌতূহল—পঞ্চাশ বছর বয়সেও কী ভাবে এতটা ফিট, ঝরঝরে এবং স্বাভাবিক থাকেন অক্ষয়? ডায়েট, জিম, স্কিন কেয়ার—সব কিছুর পিছনে কি কোনও কঠিন নিয়ম আছে? উত্তরটা শুনলে অনেকেই অবাক হবেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের দৈনন্দিন জীবনযাপন নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন অক্ষয়। আর সেখানেই জানা গেল, তিনি আদৌ ‘কড়া নিয়ম’-এর মানুষ নন।
প্রাতরাশ? একেবারেই নয়
বিশেষজ্ঞরা যতই সকালের খাবারের গুরুত্ব বোঝান না কেন, অক্ষয় সে পথে হাঁটেন না। তাঁর কথায়, তিনি কোনও দিনই প্রাতরাশ করেন না। ঘুম থেকে উঠে সরাসরি দুপুরে প্রথম খাবার খান। তার পর দ্বিতীয় ও শেষ খাবার—রাতে।
দিনে মাত্র দু’বার খাওয়া
দুপুরের পর রাতে খাওয়া—এই দুই বেলার বাইরে আর কিছুই নয়। মাঝখানে স্ন্যাকস, বিস্কুট, স্যান্ডউইচ—কিছুই নয়। বড়জোর সন্ধ্যায় এক কাপ চা। ব্যস। অক্ষয়ের মতে, মাঝেমধ্যে খাওয়ার অভ্যাসটাই তিনি এড়িয়ে চলেন।
ঘরোয়া খাবারেই ভরসা
বাহারি বা বিদেশি খাবারের প্রতি তাঁর বিশেষ টান নেই। দুপুরে সাধারণ ডাল-ভাত, একটি তরকারি আর সঙ্গে মাছ বা মুরগির কোনও পদ। রাতে রুটি, সবজি আর মাংস। একেবারে সাধারণ, ঘরোয়া খাবার। কোনও ফ্যান্সি ডায়েট নয়, কোনও ট্রেন্ডি প্লেটও নয়।
মিষ্টিতে বারণ নেই
এখানেই অক্ষয় অন্যদের থেকে আলাদা। যেখানে অনেক অভিনেতাই মিষ্টি একেবারে বাদ দেন, সেখানে অক্ষয় কিন্তু নিজের ইচ্ছে মতো খান। কেক তাঁর খুব প্রিয়। লিচু আর ঢেঁড়সও পছন্দের তালিকায়। শুটিং চলাকালীনও এই অভ্যাসে বিশেষ বদল আনেন না। তাঁর মতে, খেতে ইচ্ছে হলে খান—তাতে অপরাধবোধের জায়গা নেই।
ঘুমের সঙ্গে কোনও আপস নয়
একটা জায়গায় কিন্তু অক্ষয় একেবারেই ছাড় দেন না—ঘুম। প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা ঘুম তাঁর চাইই চাই। কাজ যতই থাকুক, এই অভ্যাসে কোনও রকম ছাড় নেই।
সব মিলিয়ে অক্ষয় খন্নার ফিটনেসের রহস্য কোনও কঠোর নিয়মে বাঁধা নয়। বরং নিজের শরীরের কথা শোনা, অপ্রয়োজনীয় খাওয়াদাওয়া এড়ানো আর পর্যাপ্ত ঘুম—এই তিনের ভারসাম্যেই পঞ্চাশেও তিনি দিব্যি ফিট, স্বচ্ছন্দ আর আত্মবিশ্বাসী।
ভিন্রাজ্যের ভোটারদের স্বস্তি: শুনানিতে হাজিরা নয়, অনলাইনেই জমা দেওয়া যাবে নথি