‘ডবল ইঞ্জিন’ আক্রমণে বিজেপি, মহালয়ার আগে-পরে মোদী-শাহের ধারাবাহিক বঙ্গ সফর, পুজোর পর আরও ছয়টি জনসভা

‘ডবল ইঞ্জিন’ আক্রমণে বিজেপি! পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে পুজোর মৌসুমেও উত্তাপ থাকবে চরমে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ধারাবাহিক সফরকে সামনে রেখে বিজেপি রাজ্যে বড়সড় রাজনৈতিক প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিজেপি…

August 25, 2025
1 min read

‘ডবল ইঞ্জিন’ আক্রমণে বিজেপি!

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে পুজোর মৌসুমেও উত্তাপ থাকবে চরমে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ধারাবাহিক সফরকে সামনে রেখে বিজেপি রাজ্যে বড়সড় রাজনৈতিক প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিজেপি সূত্রে খবর, ২০২৫ সালের শেষ হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি সাংগঠনিক বিভাগে প্রধানমন্ত্রী মোদীর অন্তত একটি করে জনসভা আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই শিলিগুড়ি বিভাগের আলিপুরদুয়ার, বর্ধমান বিভাগের দুর্গাপুর এবং কলকাতা বিভাগের দমদমে তিনটি সভা সম্পন্ন হয়েছে। এখনও বাকি সাতটি বিভাগে সাতটি জনসভা। এর মধ্যে একটি পুজোর আগেই হবে, বাকি ছ’টি পুজোর পরে।

প্রধানমন্ত্রীর পরবর্তী জনসভা অনুষ্ঠিত হতে পারে নবদ্বীপ বিভাগে, ২০ সেপ্টেম্বর। এই বিভাগের অন্তর্গত পাঁচটি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে একমাত্র রানাঘাট বর্তমানে বিজেপির দখলে। মোদীর সভাটি সেই কেন্দ্রেই আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তার ঠিক পরের দিন মহালয়া, আর ২২ সেপ্টেম্বর দেবীপক্ষের প্রথম দিনেই কলকাতায় পা রাখবেন অমিত শাহ। সেদিন তিনি মহানগরের দুটি পুজোর উদ্বোধন করবেন—প্রথমে সজল ঘোষের উদ্যোগে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো, এরপর ইস্টার্ন কালচারাল সেন্টারে আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ সংস্কৃতি মঞ্চের পুজো। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই পুজোর উদ্বোধন ২০২০ সালে ভার্চুয়ালি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এবার শাহ নিজে কলকাতায় এসে সেই দায়িত্ব নেবেন।

বিজেপির এই ধারাবাহিক কর্মসূচিকে অনেকে ‘পুজোর মুখে ডবল ইঞ্জিন আক্রমণ’ বলছেন। মহালয়ার আগে দিন মোদী, আর পরদিন শাহের সফর রাজনৈতিক তাপমাত্রা বাড়াবে তা বলাই যায়। তবে পাল্টা আক্রমণে পিছিয়ে থাকবে না তৃণমূল কংগ্রেসও। বিজেপি নেতাদের প্রতিটি সফরের আগে এবং পরে তৃণমূলের সমালোচনা ও রাজনৈতিক পাল্টা জবাব এখন প্রায় রুটিনে পরিণত হয়েছে। মোদী নিজেও প্রতিটি সফরের আগে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দিয়ে তৃণমূলকে সরাসরি আক্রমণ করছেন।

রাজনৈতিক মহলের মতে, সেপ্টেম্বরের শেষ ভাগ থেকে দেবীপক্ষ পর্যন্ত মোদী-শাহের টানা কর্মসূচি রাজ্যে নির্বাচনী আবহ তৈরি করবে। উৎসবের মরসুমেও এই রাজনৈতিক লড়াই যে শীতল হবে না, তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট। বিজেপি রাজ্যে তাদের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন এবং সমর্থন ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করতে চাইছে, আর তৃণমূল পাল্টা তোপ দেগে জনমত ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আগামী কয়েক মাসে এই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণের লড়াই যে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকে আরও সরগরম করবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

থাইরয়েডের সমস্যায় কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলা জরুরি?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *