“আলোচনা না পেরে যুদ্ধ!” — আমেরিকার ইরান আক্রমণে ফের ভাইরাল ট্রাম্পের পুরনো ওবামা-আক্রমণ

আমেরিকার ইরান আক্রমণে ফের ভাইরাল ট্রাম্পের পুরনো ওবামা-আক্রমণ! যুদ্ধ নয়, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু কথার দু’দিনের মধ্যেই ইরানে হামলা চালাল আমেরিকা। পরমাণু উত্তেজনার আবহে রবিবার ভোররাতে…

June 22, 2025
1 min read

আমেরিকার ইরান আক্রমণে ফের ভাইরাল ট্রাম্পের পুরনো ওবামা-আক্রমণ!

যুদ্ধ নয়, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু কথার দু’দিনের মধ্যেই ইরানে হামলা চালাল আমেরিকা। পরমাণু উত্তেজনার আবহে রবিবার ভোররাতে ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণুকেন্দ্রে আমেরিকার ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমারু বিমান হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ফের উঠে এল ট্রাম্পের একটি এক দশকের পুরনো টুইট। যেখানে তিনি কটাক্ষ করেছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে।

সেই পোস্টে ট্রাম্প বলেছিলেন,
“ওবামার আলোচনার ক্ষমতা নেই, তাই ইরানে হামলা করবেন।”

এমন মন্তব্যের অর্থ এখন যেন আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, কারণ একই পদক্ষেপ এখন করছেন স্বয়ং ট্রাম্প নিজেই।


হঠাৎই বোমা, কই গেল আলোচনার আশ্বাস?

দুই সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন,
“আমরা দেখব, আলোচনার মাধ্যমে এই ইরান-ইজরায়েল সংঘর্ষ বন্ধ করা যায় কি না।”
তিনি সময় চেয়েছিলেন অন্তত দু’সপ্তাহ। কিন্তু কথার মাত্র ৪৮ ঘণ্টা পেরোতেই ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে বোমাবর্ষণ করে বসল আমেরিকা।

এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুধু আন্তর্জাতিক স্তরেই নয়, প্রশ্ন উঠেছে আমেরিকার অন্দরেও।


কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়াই অভিযান?

এই সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন কংগ্রেসের হাউস সংখ্যালঘু নেতা হাকিম জেফ্রিস। তাঁর সাফ অভিযোগ—
“কোনওরকম কংগ্রেসীয় অনুমোদন ছাড়াই সামরিক অভিযান চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।”
তিনি আরও বলেন,
“যিনি শান্তি ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি এখন যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছেন। আমি প্রার্থনা করি, পশ্চিম এশিয়ায় নিযুক্ত আমাদের সেনাবাহিনী যেন নিরাপদ থাকে।”


ইরান চুক্তির অতীত থেকে আজকের বিস্ফোরণ

প্রসঙ্গত, ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে পরমাণু চুক্তি ছিল ওবামা প্রশাসনের সময়েই। তবে সেই চুক্তি ভেঙে দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই ২০১৮ সালে। এর পর থেকেই ক্রমে উত্তপ্ত হতে থাকে ইরান-মার্কিন সম্পর্ক।

সম্প্রতি ইজরায়েল যখন ইরানের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রগুলিতে হামলা চালায়, তখন আমেরিকা মধ্যস্থতা করতে চাইলেও দ্রুত কূটনৈতিক পথ ছেড়ে সামরিক পথে হাঁটে।


নিজের পুরনো কথার জালে ট্রাম্প?

২০১৩ সালে ট্রাম্প ওবামাকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন—
“যে আলোচনার যোগ্যতা রাখে না, সেই যুদ্ধের পথ বেছে নেয়।”
আজ, ২০২৫-এ সেই ট্রাম্পই কূটনৈতিক আলোচনা বন্ধ করে চালালেন হামলা। এই প্রসঙ্গে সমাজমাধ্যমে কেউ কেউ লিখছেন—
“সময় সব দেখায়। ট্রাম্প আজ নিজের ছায়াতেই আটকে গিয়েছেন।”

🚨 “ধৈর্যের সীমা ছাড়াচ্ছে!”: কর্মীদের হুঁশিয়ারি Nothing-র CEO কার্ল পে-র

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *