সাংসদ নয়, শহিদ পরিবারের সদস্যদের পাঠান বিদেশে”—পাকিস্তানের মুখোশ খুলতে কেন্দ্রকে বিকল্প প্রস্তাব অভিষেকের

শহিদ পরিবারের সদস্যদের পাঠান বিদেশে! বিদেশের মাটিতে পাকিস্তান-প্রশ্রয়পুষ্ট সন্ত্রাসবাদের কুৎসিত রূপ তুলে ধরতে সাংসদদের পাঠাতে চায় কেন্দ্র। কিন্তু এই উদ্যোগে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সামনে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও…

May 20, 2025
1 min read

শহিদ পরিবারের সদস্যদের পাঠান বিদেশে!

বিদেশের মাটিতে পাকিস্তান-প্রশ্রয়পুষ্ট সন্ত্রাসবাদের কুৎসিত রূপ তুলে ধরতে সাংসদদের পাঠাতে চায় কেন্দ্র। কিন্তু এই উদ্যোগে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সামনে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মতে, সন্ত্রাসবাদের প্রকৃত শিকার যাঁরা, তাঁরাই হোন ভারতের মুখপাত্র।

সোমবার দিল্লিতে বিদেশ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, “যদি রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি হয়, তবে সাংসদদের বদলে শহিদ জওয়ানদের পরিবার, যাঁরা সন্ত্রাসে প্রিয়জন হারিয়েছেন, কিংবা যাঁরা নিজেরাই সীমান্ত থেকে ফিরে এসেছেন, তাঁদের পাঠানো উচিত। দেশের মানুষের শান্তির জন্য যাঁরা জীবন ঝুঁকিতে রেখেছিলেন, তাঁরাই সবচেয়ে জোরালো বার্তা দিতে পারবেন।”

তিনি আরও বলেন, “যাঁরা ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মতো মিশনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, রাতের পর রাত জেগে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন—তাঁদের কথার গুরুত্ব অনেক বেশি হবে। বিশ্ব তখন বুঝবে, সন্ত্রাস কতটা ভয়ানক এবং পাকিস্তান কীভাবে তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে।”

তবে অভিষেক একথাও স্পষ্ট করেন, তিনি সাংসদদের বিদেশে পাঠানোর বিরোধিতা করছেন না। বরং তিনি মনে করেন, সঠিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে শহিদ পরিবারের কণ্ঠ সবচেয়ে বাস্তব এবং হৃদয়গ্রাহী হবে।

এই প্রস্তাবের পটভূমিতে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের এক সাম্প্রতিক পদক্ষেপ—বহুদলীয় সাংসদদের প্রতিনিধিদল গঠন করে বিভিন্ন দেশে পাঠানোর পরিকল্পনা। সেই তালিকায় নাম ছিল বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগও করেছিলেন। কিন্তু দলীয়ভাবে কিছু না জানিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আপত্তি জানায় তৃণমূল কংগ্রেস, এবং ইউসুফের নাম তালিকা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

এই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, “যে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করবে সেই দল নিজেই ঠিক করবে। এটা বিজেপি বলে দেবে না। কেন্দ্র যদি পাঁচ জনের নাম চায়, আমরা এক ঘণ্টার মধ্যেই তালিকা দিতে পারি। কিন্তু সেটা আমাদের দলের সিদ্ধান্ত হবে, বাইরের কেউ চাপিয়ে দিতে পারে না।”

তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্যও ছিল একই সুরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে বলেন, “আমাদের দলের কে প্রতিনিধিদলে থাকবেন, তা ঠিক করব আমরা। এই সিদ্ধান্ত অন্য কেউ নিতে পারে না।”

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিকল্প প্রস্তাব শুধু রাজনৈতিক নয়, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও নজরকাড়া। বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে যাঁরা সন্ত্রাসের নিষ্ঠুরতা অনুভব করেছেন, তাঁদের মাধ্যমে বার্তা পৌঁছলে তাতে থাকবে অনুভবের ওজন, যুক্তির ধার এবং নৈতিক স্পষ্টতা—যা কূটনৈতিক মঞ্চে কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে।

“শাহরুখ আসলে খুবই মধ্যবিত্ত মানুষ” — বলিউডের বাদশাহর এমন গুণ দেখে মুগ্ধ পরিচালক অনুভব সিন্‌হা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *