কলকাতায় যুদ্ধবিরোধী মিছিলে পেট্রল-ডিজেল ছোড়ার অভিযোগ, বিজেপি অস্বীকার করল

কলকাতায় যুদ্ধবিরোধী মিছিলে পেট্রল-ডিজেল ছোড়ার অভিযোগ! কলকাতায় সোমবার অনুষ্ঠিত যুদ্ধবিরোধী শান্তি মিছিল নিয়ে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। নাগরিক মঞ্চ-এর ডাকা এই মিছিলে পেট্রল, ডিজেল ও মোবিল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে…

May 13, 2025
1 min read

কলকাতায় যুদ্ধবিরোধী মিছিলে পেট্রল-ডিজেল ছোড়ার অভিযোগ!

কলকাতায় সোমবার অনুষ্ঠিত যুদ্ধবিরোধী শান্তি মিছিল নিয়ে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। নাগরিক মঞ্চ-এর ডাকা এই মিছিলে পেট্রল, ডিজেল ও মোবিল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং পুলিশও ঘটনায় পর্যালোচনা চালাচ্ছে।

মিছিলে উত্তেজনা

মৌলালিতে জমায়েত হওয়ার পর মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল সাড়ে ৩টায়। কিন্তু তার আগেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উদ্যোক্তাদের দাবি, মিছিল শুরুর আগে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ-এর নেতৃত্বে একদল লোক জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে তাঁদের উপর হামলা চালায়। অভিযোগ, তাঁদের লক্ষ্য করে পেট্রল, ডিজেল, মোবিল ছোড়া হয়েছিল, যাতে মিছিলকারীদের আক্রমণ করা হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মীরাতুন নাহার এবং বোলান গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

পুলিশি পদক্ষেপ

এতকিছুর পরও পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সজল ঘোষ-এর নেতৃত্বে উপস্থিতদের পুলিশ আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তাঁরা মিছিল করতে বাধা দিয়েছে। এরপর মিছিলকারীরা ঘোষণা করেন, যদি মিছিল করতে না দেওয়া হয়, তবে তারা মৌলালিতেই অবস্থান নেবেন। কিছুক্ষণ পরেই বিক্ষোভকারীদের লালবাজার-এ নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাঁদের আটক রাখা হয়। অমিতাভ ভট্টাচার্য-এর দাবি, মোট ৬৩ জন বিক্ষোভকারীকে সেন্ট্রাল লকআপে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

বিজেপির অস্বীকার

মিছিলের সময় পেট্রল-ডিজেল ছোড়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তা অস্বীকার করেছেন সজল ঘোষ। তিনি বলেন,

“আমরা কোনও পেট্রল-ডিজেল ছুড়িনি। তবে যদি কেউ দেশের বিরুদ্ধে কথা বলে, তাহলে তাঁর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

ঘটনার পর দু’পক্ষই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অমিতাভ-এর অভিযোগ,

“আমরা যুদ্ধবিরোধী শান্তি মিছিল ডেকেছিলাম, সেখানে বিজেপি-র লোকজন হামলা করতে এসেছিল, কিন্তু পুলিশ তাদের রক্ষা করেছে।”
অন্যদিকে, সজল দাবি করেছেন,
“কলকাতা পুলিশ দেশবিরোধী শক্তিকে রক্ষা করেছে।”

পুলিশ অবশ্য এই ঘটনায় কোনও বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া দেয়নি এবং গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা নিয়ে কোনও তথ্য দেয়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, কিছু লোককে আটক করা হয়েছিল এবং রাতেই তাঁদের মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

শেষ কথা

এভাবে, কলকাতার যুদ্ধবিরোধী শান্তি মিছিল নিয়ে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, তা শহরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিজেপি-এর দাবি ও নাগরিক মঞ্চ-এর অভিযোগের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট, এবং এখন পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে, যাতে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনা যায়।

বিরাট কোহলির বিদায়: এক অধ্যায়ের সমাপ্তি, রেখে গেলেন প্রশ্নের রেশ

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *