কলকাতায় বাজির পরীক্ষা: পুলিশের নতুন নির্দেশনায় প্রস্তুতি শুরু

কলকাতায় বাজির পরীক্ষা কলকাতায় বাজি বাজার বসার আগেই পুলিশের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন ঘটেছে। বাজি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা এসেছে, যা বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আগামী শুক্রবার থেকে কলকাতার বেহালা, কালিকাপুর, টালা ও…

October 21, 2024
1 min read

কলকাতায় বাজির পরীক্ষা

কলকাতায় বাজি বাজার বসার আগেই পুলিশের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন ঘটেছে। বাজি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা এসেছে, যা বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আগামী শুক্রবার থেকে কলকাতার বেহালা, কালিকাপুর, টালা ও ময়দান এলাকায় চারটি বৈধ বাজি বাজার বসতে চলেছে। এই বাজারগুলোতে কোন ধরনের বাজি বিক্রি হবে, সেটি নিশ্চিত করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, বাজি পরীক্ষার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। বাজি ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা চলছে, তবে অনেকের উদ্বেগ রয়েছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, তাড়াহুড়ো করে করা পরীক্ষার মান কতটুকু হবে? তাদের দাবি, বাজির শব্দমাত্রা মাপার পাশাপাশি ধোঁয়া এবং দূষণও পরিমাপ করা উচিত। লালবাজারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা রবিবার বলেন, “বাজি পরীক্ষার সঙ্গে জড়িত সকল পক্ষকে জানানো হয়েছে। সবদিক থেকে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।”

শিয়ালদহের টালা পার্কে গত কয়েক বছর ধরে বাজির পরীক্ষা হয়ে আসছে। কালীপুজোর আগে শুরু হওয়া বাজি বাজারে, পুলিশ এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা হয়। শুধু পাশ করা বাজির অনুমতি পায় বাজারে বিক্রির জন্য। তবে এই বছর পুলিশ আগে থেকেই জানিয়ে দিয়েছিল, বাজির পরীক্ষা আর হবে না। তারা যুক্তি দিয়েছে, কারণ সারা দেশে বাজির শব্দমাত্রা ১২৫ ডেসিবেলের মধ্যে রাখতে হবে, এবং শুধুমাত্র সবুজ বাজি বিক্রির অনুমতি রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে পরিবেশকর্মীরা আবার সরব হয়ে উঠেছেন। ‘সবুজ মঞ্চ’-এর আহ্বায়ক নব দত্ত ২৪ অক্টোবর একটি নাগরিক কনভেনশনের ডাক দিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “বাইরে থেকে রাজ্যে বাজি ঢুকছে। এগুলি যে ১২৫ ডেসিবেলের মধ্যে রয়েছে, তা পরীক্ষা না করেই কীভাবে বলা যায়?” পরিবেশের ক্ষতির আশঙ্কায় তাদের দাবি, আরও বেশি করে বাজি পরীক্ষা হওয়া উচিত।

গত বছরের অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে বাজি ব্যবসায়ীদের অনেকেই মনে করছেন, পরীক্ষা হতে হবে, কিন্তু সঠিকভাবে। গত বছর টালা পার্কের পরীক্ষায় ‘ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ (নিরি) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন না। ফলে তাদের দেওয়া ছাড়পত্রের ভিত্তিতে পরীক্ষা করতে ব্যর্থ হন পুলিশ। অনেকেই আশা করছেন, এ বছর সঠিকভাবে এবং সম্পূর্ণরূপে পরীক্ষা হবে।

টালা বাজি বাজারের অন্যতম উদ্যোক্তা শুভঙ্কর মান্না বলেন, “পুলিশ নতুন করে বাজি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার প্রশাসন কড়া অবস্থানে রয়েছে এবং আশা করা যায়, সব দিক থেকে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে হবে।”

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *