৭ গোলের জয়ের পরও স্বস্তি নেই জার্মানির!!
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কুরাসাওকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে দুরন্ত সূচনা করেছে জার্মানি। কিন্তু মাঠের সাফল্য সত্ত্বেও জার্মান শিবিরে এখন অন্য এক আতঙ্ক ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রতিপক্ষ নয়, তাদের চিন্তার কারণ একটি সাপ।
ঘটনাটি ঘটে কুরাসাও ম্যাচের পরের দিন। নিয়মিত অনুশীলনের সময় আচমকাই একটি সাপকে মাঠের আশপাশে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। নিরাপত্তার বলয় পেরিয়ে সেটি প্রায় ফুটবলারদের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। ঘটনাটি মুহূর্তের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে দেয় জার্মান দলের মধ্যে।
দলের অধিনায়ক জোসুয়া কিমিচ পরে বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন। তিনি জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে তাঁরা জানতে পারেন, সাপটি বিষধর হতে পারে। কাউকে ছোবল মারলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারত।
কিমিচ বলেন, “অনুশীলনের সময় আমরা একটা সাপ দেখতে পাই। আমাদের বলা হয়েছিল, সেটি বিষাক্ত হতে পারে। ব্যাপারটা হয়তো জীবনসংকট তৈরি করার মতো নয়, কিন্তু যথেষ্ট বিপজ্জনক। জার্মানিতে আমরা নিশ্চিন্তে অনুশীলন করি। সেখানে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় না।”
বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ আমেরিকায় এই সমস্যা নতুন নয়। বিশেষ করে যে অঞ্চলগুলিতে বিভিন্ন দল নিজেদের শিবির তৈরি করেছে, সেখানে নানা ধরনের সাপের বাস রয়েছে। কয়েকটি প্রজাতি আবার বিষধর বলেও পরিচিত।
জার্মানি একা নয়। এর আগেও সুইৎজ়ারল্যান্ড ও নরওয়ের শিবিরে সাপ দেখা যাওয়ার খবর সামনে এসেছে। নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডদের ঘাঁটি উত্তর ক্যারোলিনার গ্রিনসবরো এলাকাতেও নিয়মিত সাপের দেখা মেলে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলিকে সতর্ক করেছে। ফুটবলার ও কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কোনও সাপ চোখে পড়লে তাকে বিরক্ত না করতে এবং দ্রুত প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।
মাঠে প্রতিপক্ষকে সহজেই হারিয়েছে জার্মানি। কিন্তু অনুশীলনের মাঠে এই অপ্রত্যাশিত অতিথি বুঝিয়ে দিল, বিশ্বকাপের লড়াই শুধু প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে নয়, কখনও কখনও প্রকৃতির সঙ্গেও।
এখন দেখার বিষয়, এই সাপ-কাণ্ড জার্মানির প্রস্তুতিতে কতটা প্রভাব ফেলে। তবে আপাতত কিমিচ, ন্যুয়ের, হাভার্ৎজ়দের কাছে প্রতিপক্ষের পাশাপাশি নজর রাখতে হচ্ছে মাঠের আশপাশেও।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?