৩৫ বছরের কেরিয়ারের পরেও আক্ষেপ অক্ষয়ের, নিজের ছবি দেখে কেন নিজেকেই ‘চড় মারতে’ ইচ্ছে করত অভিনেতার?

৩৫ বছরের কেরিয়ারের পরেও আক্ষেপ অক্ষয়ের! বলিউডে তিন দশকেরও বেশি সময় কাটিয়ে ফেলেছেন অক্ষয় কুমার। অ্যাকশন হিরো থেকে কমেডি, সামাজিক বার্তার ছবি থেকে আবেগঘন চরিত্র—নিজেকে বারবার বদলেছেন অভিনেতা। তবু দীর্ঘ…

June 24, 2026
1 min read

৩৫ বছরের কেরিয়ারের পরেও আক্ষেপ অক্ষয়ের!

বলিউডে তিন দশকেরও বেশি সময় কাটিয়ে ফেলেছেন অক্ষয় কুমার। অ্যাকশন হিরো থেকে কমেডি, সামাজিক বার্তার ছবি থেকে আবেগঘন চরিত্র—নিজেকে বারবার বদলেছেন অভিনেতা। তবু দীর্ঘ কেরিয়ারের দিকে ফিরে তাকালে একটি আক্ষেপ রয়ে গিয়েছে তাঁর। নিজের পুরনো ছবি দেখলে অনেক সময় নিজেকেই শাস্তি দিতে ইচ্ছে করত বলে জানিয়েছেন অক্ষয়।

১৯৯১ সালে ‘সৌগন্ধ’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রেখেছিলেন অক্ষয় কুমার। এরপর ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি। নব্বইয়ের দশকে অ্যাকশন ঘরানার ছবিতে পরিচিতি পেলেও ২০০০ সালের পর থেকে তাঁর জনপ্রিয়তা নতুন উচ্চতায় পৌঁছয়। এক সময় বলিউডের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেতাদের তালিকাতেও ছিলেন তিনি।

তবে সাফল্যের এত বছর পরেও নিজের অভিনয়জীবন নিয়ে আত্মসমালোচনা করতে পিছপা হন না অক্ষয়। তাঁর মতে, কেরিয়ারের একটা বড় সময় তিনি শুধুমাত্র অ্যাকশনধর্মী চরিত্রেই আটকে ছিলেন।

অভিনেতা বলেন, “দশকের পর দশক কাজ করার পর যখন নিজের সিনেমাগুলো দেখতাম, তখন নিজেকেই একটা চড় মারতে ইচ্ছে করত। কারণ আমি শুধু অ্যাকশন চরিত্রেই অভিনয় করেছি। কেউ ভাবত না যে আমি অন্য ধরনের চরিত্রও করতে পারি।”

অক্ষয়ের আক্ষেপ ছিল, দর্শক এবং ইন্ডাস্ট্রি তাঁকে একটা নির্দিষ্ট ছকের মধ্যে দেখতে শুরু করেছিল। সেই ভাবমূর্তি বদলানোর প্রয়োজন তিনি নিজেই অনুভব করেছিলেন। এরপর ধীরে ধীরে ভিন্ন ধরনের চরিত্র বেছে নিতে শুরু করেন তিনি।

‘ধড়কন’, ‘হেরা ফেরি’, ‘মুঝসে শাদি করোগি’, ‘টয়লেট: এক প্রেম কথা’, ‘প্যাডম্যান’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করে নিজের পরিসর বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন অক্ষয়। তাঁর মতে, একজন অভিনেতার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল নিজেকে বারবার নতুনভাবে আবিষ্কার করা।

অক্ষয় জানিয়েছেন, সিনেমায় আসার মূল উদ্দেশ্য ছিল উপার্জন করা। কিন্তু কেরিয়ার এত দীর্ঘ হবে, সেটা তিনি নিজেও ভাবেননি। এখনও কাজের প্রতি তাঁর আগ্রহ কমেনি। অভিনেতার ইচ্ছে, যত দিন সম্ভব কাজ করে যেতে চান তিনি।

অভিনেতা বলেন, “কেরিয়ার এত দীর্ঘ হওয়া সবার ভাগ্যে থাকে না। আশা করি, আরও কয়েক বছর কাজ করতে পারব। সত্যি বলতে, মৃত্যুর পাঁচ মিনিট আগেও কাজ করতে চাই।”

তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বেশ কিছু ছবি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। অক্ষয় নিজেও স্বীকার করেছেন, ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময়ের প্রভাব তাঁর উপর পড়েছে। মায়ের মৃত্যুর পর সময়টা তাঁর জন্য সহজ ছিল না।

আগামী দিনে আবারও অ্যাকশন এবং কমেডির মিশেলে নতুন ছবি নিয়ে ফিরছেন অক্ষয়। তাঁর আসন্ন ছবি ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এ তাঁকে দেখা যাবে। দীর্ঘ কেরিয়ারের পরেও নিজেকে বদলে যাওয়ার এই চেষ্টা যে এখনও অব্যাহত, তা স্পষ্ট অভিনেতার কথাতেই।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *