২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দল? নতুন পরিকল্পনায় এগোচ্ছে ফিফা, চলতি বছরেই হতে পারে বড় ঘোষণা

২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দল? ফুটবল বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই ভবিষ্যতের আরও বড় পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফা। সম্প্রতি বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক অধিকার বেসরকারি সংস্থার…

August 1, 2026
1 min read

২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দল?

ফুটবল বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই ভবিষ্যতের আরও বড় পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফা। সম্প্রতি বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক অধিকার বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা থেকে প্রবল সমালোচনার মুখে সরে আসতে হয়েছিল ফিফাকে। সেই বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা ৪৮ থেকে বাড়িয়ে ৬৪ করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে সংস্থাটি।

ফিফা ইতিমধ্যেই এই প্রস্তাবের আর্থিক ও সাংগঠনিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে। আগ্রহী সংস্থাগুলিকে ৭ অগস্টের মধ্যে আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। ১৪ অগস্টের মধ্যে নির্বাচিত সংস্থার নাম ঘোষণা করা হবে এবং তারা ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে একটি বিস্তারিত মূল্যায়ন রিপোর্ট ফিফার হাতে তুলে দেবে।

সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে ৬৪টি দেশ অংশ নেবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সূত্রের খবর, চলতি বছরের মধ্যেই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারে ফিফা।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো গত ১২ জুলাই প্রথম এই সম্ভাবনার কথা প্রকাশ্যে আনেন। তাঁর বক্তব্যের পর দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থাও এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে। এরপরই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

তবে এই প্রস্তাব ঘিরে বিতর্কও কম নয়। অভিযোগ উঠেছে, দরপত্র ডাকার আগে ফিফার অধীনস্থ বিভিন্ন মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থার সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা করা হয়নি। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক অধিকার বিক্রির পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর নতুন এই উদ্যোগ নিয়েও সমালোচনার মুখে পড়তে পারেন ইনফান্তিনো।

বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে এবং প্যারাগুয়েতেও কয়েকটি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে যদি অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা ৬৪-তে পৌঁছে যায়, তাহলে এই অতিরিক্ত আয়োজক দেশগুলিতে আরও বেশি ম্যাচ আয়োজন করতে হতে পারে। এতে ভ্রমণ, সূচি, স্টেডিয়াম ব্যবস্থাপনা এবং লজিস্টিকস আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

তবে ফিফার মতে, আরও বেশি দেশের অংশগ্রহণ বিশ্বকাপকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলতে পারে এবং নতুন বাজার, দর্শক ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনারও দ্বার খুলে দিতে পারে। এখন সব নজর সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট এবং তার পর ফিফার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *