কী ভাবে সব সামলাচ্ছেন মধুমিতা?
বিয়ের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের জীবনে। আগামী ২৩ জানুয়ারি দেবমাল্যের সঙ্গে চারহাত এক হচ্ছে তাঁর। তার ঠিক আগেই, ১৭ জানুয়ারি সেরে ফেলেছেন আংটিবদল। অথচ এই আনন্দের মুহূর্তের মাঝেও থেমে নেই কাজ—বরং টানা ১৪ ঘণ্টার শুটিং সামলাচ্ছেন তিনি ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকে। মজার বিষয়, সেই ধারাবাহিকেও এখন চলছে বিয়ের দৃশ্যের শুটিং!
তাই স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে—এত ব্যস্ততার মধ্যে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কী করে?
শনিবার আংটিবদল সেরে সোজা ফ্লোরে ফিরেছেন মধুমিতা। বিয়ের জন্য ছুটি বলতে কতটুকু? হাসিমুখে নায়িকার জবাব,
“শুধু বিয়ের দিনটুকুই। ধারাবাহিকটা তো নতুন শুরু হয়েছে, তাই বেশি ছুটি নেওয়া মুশকিল। আইবুড়ো ভাতের দিন থেকে সম্ভবত ছুটি পাব, তার আগে সুযোগ নেই বললেই চলে।”
তা হলে বিয়ের কেনাকাটা? পোশাক, গয়না, আয়োজন—সব কিছু সামলাচ্ছেন কী ভাবে? মধুমিতা জানালেন, এই ক্ষেত্রে দেবমাল্য আর তাঁর পরিবারই এখন সবচেয়ে বড় ভরসা।
“অনেক জায়গায় আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। দেবমাল্য আর ওর পরিবারই সব সামলাচ্ছে। আমার বন্ধুরাও পাশে আছে। ভিডিও কলে দেখিয়ে নেয়, মতামত নেয়।”
এই ব্যস্ততার মধ্যেও মধুমিতার চোখে-মুখে আলাদা একটা উজ্জ্বলতা। আংটিবদলের পর থেকে তাঁর মনে নাকি এক অন্যরকম অনুভূতি তৈরি হয়েছে। নায়িকা খোলাখুলি বললেন,
“আরও বেশি করে মনে হচ্ছে দেবমাল্য এখন সত্যিই আমার হয়ে গিয়েছে।”
তবে বিয়ের পরই কি মধুচন্দ্রিমা? সে সুখবরের জন্য আপাতত অপেক্ষা করতে হবে। কাজের চাপের কারণে এখনই কোথাও ঘুরতে যাওয়ার সুযোগ নেই তাঁদের। মধুমিতা জানালেন,
“এক-দেড় মাস পরে হয়তো কোথাও যাব। এখনই যাওয়ার মতো সময় নেই।”
সব মিলিয়ে, পর্দায় যেমন বিয়ের দৃশ্যে ডুবে রয়েছেন মধুমিতা, বাস্তব জীবনেও ঠিক তেমনই এক নতুন অধ্যায়ের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি। ১৪ ঘণ্টার শুটিং, সীমিত ছুটি, তবু মুখে এক চিলতে হাসি আর চোখভরা স্বপ্ন—এই নিয়েই জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তের দিকে এগিয়ে চলেছেন অভিনেত্রী।
কাজ আর ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েনের মাঝেও মধুমিতা যেন প্রমাণ করে দিচ্ছেন—ভালোবাসা আর দায়িত্ব একসঙ্গে থাকলে সবকিছু সামলানোই সম্ভব। আর খুব শিগগিরই, নতুন পরিচয়ে নতুন পথচলার গল্প শোনাতে প্রস্তুত তিনি।
‘স্পিরিট’-এ প্রভাসের ১৬০ কোটি! নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ফারাক ঘিরে নতুন চর্চা