লাল–সাদার আলোর রোশনাই, কালীপুজোর আবহে প্রীতিভোজ: শোভাবাজার রাজবাড়িতে মধুমিতা–দেবমাল্যের রাজকীয় সন্ধ্যা

শোভাবাজার রাজবাড়িতে মধুমিতা–দেবমাল্যের রাজকীয় সন্ধ্যা বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে প্রবেশের আগে শিবমন্দিরে মাথা ঠেকিয়েছিলেন মধুমিতা সরকার ও দেবমাল্য চক্রবর্তী। সেই আধ্যাত্মিক ছোঁয়াই যেন রয়ে গেল তাঁদের প্রীতিভোজের আসরেও। রবিবার সন্ধ্যায় শীতের…

January 26, 2026
1 min read

শোভাবাজার রাজবাড়িতে মধুমিতা–দেবমাল্যের রাজকীয় সন্ধ্যা

বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে প্রবেশের আগে শিবমন্দিরে মাথা ঠেকিয়েছিলেন মধুমিতা সরকার ও দেবমাল্য চক্রবর্তী। সেই আধ্যাত্মিক ছোঁয়াই যেন রয়ে গেল তাঁদের প্রীতিভোজের আসরেও। রবিবার সন্ধ্যায় শীতের নরম হাওয়া আর উষ্ণ আলোর মেলবন্ধনে শোভাবাজার রাজবাড়িতে বসেছিল নবদম্পতির রাজকীয় ভোজসভা—থিমে কালীপুজোর রাত, রঙে লাল–সাদা।

প্রীতিভোজের দায়িত্বে থাকা দেবজিৎ ভট্টাচার্য জানালেন, রাজবাড়ির ঐতিহ্যকে সামনে রেখেই সাজানো হয়েছিল গোটা মঞ্চ। লাল গোলাপ আর সাদা রজনীগন্ধায় ভরে উঠেছিল চারপাশ। লাল–সাদা শুধু সাজেই নয়, ধরা পড়েছিল নবদম্পতির পোশাকেও। দেবমাল্য পরেছিলেন জরির কাজ করা সাদা শেরওয়ানি, তার উপর দুধসাদা জ্যাকেট। গলায় সোনার চেন, হাতে রিস্টলেট আর আংটি—সব মিলিয়ে একেবারে রাজকীয় লুক। মধুমিতা বেছে নিয়েছিলেন লাল আর রানি রঙের মিশেলে সিল্কের শাড়ি, তাতে সিকুইন আর জরির ঝিলিক। খোলা চুলে লাল গোলাপ, গলায় কুন্দনের গয়না—কালীপুজোর আবহে যেন এক আধুনিক দেবীমূর্তি।

প্রীতিভোজের থিমে ছিল চমক। কালীপুজোর রাতের আবহ তৈরি করতে আলোর ব্যবহার, সাজসজ্জা আর মোটিফে রাখা হয়েছিল ‘ভোলেবাবা’র ত্রিশূলের ছায়া। যেন উৎসব আর আধ্যাত্মিকতার মেলবন্ধন। অতিথিরা পা রাখতেই বুঝে যাচ্ছিলেন—এ শুধু প্রীতিভোজ নয়, এক বিশেষ অভিজ্ঞতা।

তারকাখচিত বিয়ের পর প্রীতিভোজেও তারকা সমাগমে ভাটা পড়েনি। সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজির হন মধুমিতার বর্তমান ধারাবাহিক ‘ভোলেবাবা পার করেগা’-র টিমের সদস্যরাও। যদিও কাজের ব্যস্ততায় আসতে পারেননি লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, রোশনি ভট্টাচার্য বা মধুমিতার ঘনিষ্ঠ বন্ধু তৃণা সাহা।

খাবারের আয়োজন ছিল একেবারে বাঙালিয়ানার এলাহি ছোঁয়ায়। শুরু ফুচকা দিয়ে। তার পর গলা ভেজাতে গন্ধরাজ ঘোল, আমপোড়া সরবত, মিন্ট লেমন দেওয়া ডাবের জল, কেশর চা। মুখরোচক পর্বে ছিল গোল্ডেন প্রন, ফিশ ফ্রাই, কাবাব, গন্ধরাজ চিকেন। মূল ভোজে পাত পেড়ে মিলল লুচি, কড়াইশুঁটির কচুরি, আলুর দম, ভেজিটেবল চপ, সাদা ভাত, ফুলকপির রোস্ট, বাসন্তি পোলাও, ফিশ পাতুরি, চিংড়ির মালাইকারি, দই কাতলা, আর গোলবাড়ির কষা মাংস। শেষপাতে রসগোল্লা, রসমালাই আর জিলিপিতে মিষ্টিমুখ।

সব মিলিয়ে মধুমিতা–দেবমাল্যের প্রীতিভোজ ছিল ঐতিহ্য, উৎসব আর ভালোবাসার এক অপূর্ব মিলন—যা অতিথিদের মনে থেকে যাবে অনেক দিন।

বেজিঙে অস্বস্তির ঝড়: শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধেই পরমাণু গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *