স্ট্রংরুম ঘিরে উত্তেজনা: কুণাল-শশীর অবস্থান, পাল্টা বিজেপির তাপস-সন্তোষের উপস্থিতি

কুণাল-শশীর অবস্থান, পাল্টা বিজেপির তাপস-সন্তোষের উপস্থিতি! ভোটগণনার আগে স্ট্রংরুম ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছল কলকাতায়। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের দুই প্রার্থী—বেলেঘাটার কুণাল ঘোষ এবং…

May 4, 2026
1 min read

কুণাল-শশীর অবস্থান, পাল্টা বিজেপির তাপস-সন্তোষের উপস্থিতি!

ভোটগণনার আগে স্ট্রংরুম ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছল কলকাতায়। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের দুই প্রার্থী—বেলেঘাটার কুণাল ঘোষ এবং শ্যামপুকুরের শশী পাঁজা। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে ইভিএম রাখা অংশে সন্দেহজনক কার্যকলাপ চলছে, যা ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।

তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, স্ট্রংরুমের ভিতরে কী কাজ হচ্ছে তা নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাঁদের সমর্থকেরা স্ট্রংরুমের বাইরে ছিলেন, পরে আচমকা নির্দেশে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই একটি ইমেল আসে, যেখানে জানানো হয় নির্দিষ্ট সময়ে স্ট্রংরুম খুলে কিছু কার্যক্রম হবে। সেই সময়েই তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান বলে দাবি করেন কুণাল। তাঁর কথায়, “আমরা জানতে চাই ভিতরে কী হচ্ছে, কেন আমাদের না জানিয়ে এমন কাজ চলছে।”

অন্যদিকে শশী পাঁজা বলেন, প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও যদি সিসিটিভি ও পর্যবেক্ষণ ঘিরে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে তা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। তাঁর দাবি, গণনার আগে স্ট্রংরুমের প্রতিটি কার্যকলাপ রাজনৈতিক দলগুলোর সামনে স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা উচিত।

এই অবস্থান কর্মসূচির খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একই সময় স্ট্রংরুমের বাইরে পৌঁছে যান বিজেপির দুই প্রার্থী—চৌরঙ্গির সন্তোষ পাঠক এবং মানিকতলার তাপস রায়। তাঁরা তৃণমূলের অবস্থান বিক্ষোভের বিরোধিতা করেন এবং অভিযোগ তোলেন যে স্ট্রংরুমের বাইরে অযথা জমায়েত করে পরিবেশ উত্তপ্ত করা হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, ভোট প্রক্রিয়া কমিশনের নিয়ম মেনেই চলছে এবং কোনও ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানো উচিত নয়।

এই দ্বিমুখী উপস্থিতির ফলে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়ে যায়। দুই শিবিরই একে অপরের বিরুদ্ধে সন্দেহ ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ তোলে, যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।

এদিকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগ্রবাল জানান, স্ট্রংরুম সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর দফতরে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা পড়েনি। তিনি স্পষ্ট করেন, যদি কোনও সমস্যা থেকে থাকে, তা সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বিষয়টি দেখবেন। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পরামর্শও দেন।

সব মিলিয়ে ভোটগণনার ঠিক আগে স্ট্রংরুম ঘিরে এই রাজনৈতিক উত্তেজনা রাজ্যের নির্বাচন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন নজর কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং গণনার দিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকেই।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *