সুমিতের হাত ধরে ‘প্রাক-মধুচন্দ্রিমা’!
“প্রতিদিন যেন কুয়োর ব্যাঙ হয়ে বেঁচে থাকি! মুক্ত হাওয়া দরকার ছিল”— এই কথায় নিজের মনোভঙ্গি স্পষ্ট করে দিলেন ঋতাভরী চক্রবর্তী। আর সেই মুক্ত হাওয়ায় নিশ্বাস নিতে নিতে এখন তিনি ঘুরছেন ইউরোপে, সঙ্গে বলিউডের নামজাদা চিত্রনাট্যকার এবং তাঁর প্রেমিক সুমিত অরোরা। গুঞ্জন, এ বছরের শেষেই চার হাত এক হতে পারে এই জুটির। তাই কি তবে এই বিদেশযাত্রা প্রাক-মধুচন্দ্রিমা?
বরাবরই ঘুরতে ভালোবাসেন ঋতাভরী। কখনও মায়ের সঙ্গে, কখনও দিদির সঙ্গে, আবার কখনও একাই। এবার তবে কি জীবনের নতুন সফরের আগে একটু নির্জন ভ্রমণচিত্র? একান্ত সময় কাটানো?
এই মুহূর্তে তাঁরা রয়েছেন বার্লিনে। এক হোটেলের চিলেকোঠার ঘরে থেকে আকাশ দেখা যায় চোখ মেললেই। রবিবার সকালে ঘুম ভেঙে এমন এক স্বর্গীয় দৃশ্য দেখে মুগ্ধ ঋতাভরী বললেন, “এই জায়গাটা স্বর্গের চেয়ে কম কিসে?”
এর আগেই তাঁরা ঘুরে এসেছেন প্যারিসের ডিজ়নিল্যান্ড। মাথায় মিকি মাউসের টুপি, চোখে আনন্দের ঝলক। সঙ্গে সুমিত, যিনি লিখেছেন ‘জওয়ান’, ‘স্ত্রী’, ‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’-এর মতো চিত্রনাট্য। এক ফ্রেমে তাঁদের ছবিতে ভালোবাসা যেন উপচে পড়ছে। এক ভিডিয়োতে দেখা যায়, সুমিত এগিয়ে গেলে ঋতাভরী মৃদু হেসে ডাকছেন, “বাবু…” — সেই শব্দেই মুগ্ধ অনুরাগীরা।
আনন্দবাজার অনলাইন ফোনে যোগাযোগ করলে রসিকতা করে ঋতাভরী বলেন, “আমরা পরস্পরকে ছ’বছর ধরে চিনি। এখনও প্রাক-মধুচন্দ্রিমার প্রয়োজন?” তবে বেড়ানো যে তাঁর রক্তে, তা আর একবার বুঝিয়ে দেন তিনি। তাঁর কথায়, “কলকাতাও সুন্দর শহর। কিন্তু অনেক দিন এক জায়গায় থাকলে মনে হয় আমি কুয়োর ব্যাঙ হয়ে গেছি। তাই নতুন শহর, নতুন হাওয়া আমাকে বাঁচতে শেখায়।”
বেড়ানো নিয়ে তাঁর বিশেষ ফিলোসফিও আছে। তিনি বলেন, “যে শহরে মিউজ়িয়াম আছে, সেখানে দরকার হলে দশ দিন কাটিয়ে দিই। কোনও তাড়া নেই আমার। বেড়াতে গিয়ে যদি তাড়াহুড়ো করতে হয়, তা হলে মজা কোথায়?”
এই ইউরোপ সফর, জন্মদিন আর প্রেম— সব মিলে যেন ঋতাভরীর জীবনে চলছে এক টানা রঙিন অধ্যায়। আর সে অধ্যায়ে সঙ্গী সুমিত অরোরা। তবে কি আসন্ন বিয়ের আগে একসঙ্গে পথ হাঁটার প্রস্তুতি? উত্তর আপাতত আকাশের নিচেই খুঁজছেন ঋতাভরী।
তিনটি প্রাণঘাতী অসুখে আক্রান্ত সলমন খান! মুখ খুলে জানালেন নিজের শারীরিক সংকটের কথা