দিয়াকে চিৎকার করে ভর্ৎসনা করিনার পুরনো বিতর্ক প্রকাশ্যে!
বলিউডের দুই জনপ্রিয় নায়িকা করিনা কপূর খান ও দিয়া মির্জার মধ্যে দুই দশকের পুরনো এক অজানা বিতর্ক আবারও উঠে এসেছে আলোচনায়। ঘটনাটি ঘটে ২০০০ সালে, যখন তাঁরা দু’জনেই কেরিয়ারের শুরুর পথে। তবে বয়স কম হলেও ইগো আর স্টাইল স্টেটমেন্ট নিয়ে তখনই কোনও আপস করতেন না করিনা, যার প্রমাণ মিলেছিল এক বিশেষ অনুষ্ঠানে।
লখনউয়ে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন করিনা, দিয়া ছাড়াও উর্মিলা মাতণ্ডকর, নম্রতা শিরোদকর-সহ একাধিক বলিউড অভিনেত্রী। আয়োজকদের তরফ থেকে সকলকে বলা হয়েছিল সাদা সুতির সালোয়ার কামিজ পরার জন্য, সঙ্গে জাতীয় পতাকা ধারণ করার নির্দেশও ছিল। দেশের প্রতি সম্মান জানাতেই এমন পোশাক নির্ধারণ। কিন্তু করিনা সেই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ।
“আমি এই সালোয়ার-কামিজ পরব না, জাতীয় পতাকাও নেব না!”—সাফ জানিয়ে দেন করিনা। তাঁর দাবি, তিনি অনুষ্ঠানে পরবেন ভারী গয়নার সঙ্গে জাঁকজমক লেহঙ্গা-চোলি। এই নিয়ে অনুষ্ঠান শুরুর আগেই ছড়ায় অস্বস্তি। অন্য অভিনেত্রীরা অসন্তুষ্ট হলেও কেউ মুখ খোলেননি। তখন দিয়া মির্জা নম্রতা শিরোদকরকে শান্তভাবে বলেন, “করিনাকে ওর মতো করে পরতে দাও, আমাদের নিজেদের মতো প্রস্তুত হতে হবে।”
ঠিক এই কথাই করিনার কানে গেলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। দিয়া জানান, করিনা আচমকা ঘরে ফিরে এসে উচ্চস্বরে চিৎকার করে বলেন, “তুমি কে, যে নম্রতাকে উপদেশ দেবে?” সেই আচরণে আতঙ্কিত হয়ে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান দিয়া। যদিও পরে করিনাই স্বাভাবিক মুখে কথা বলতে আসেন দিয়ার সঙ্গে, যেন কিছুই হয়নি।
ঘটনার কথা বলতে গিয়ে দিয়া মির্জার মন্তব্য, “তখন বুঝলাম, করিনা যুক্তিহীন এবং অত্যন্ত উচ্চস্বরে কথা বলা একজন মানুষ। ওর কথার ধার ধারে না যুক্তি।”
পাঠক মনে রাখবেন, তখনকার করিনা ছিলেন সদ্য কেরিয়ার শুরু করা স্টারকিড, কপূর পরিবারের গ্ল্যামার গর্ব নিয়েই চলতেন। দিয়া, যিনি ‘মিস ইন্ডিয়া’ খেতাব পেয়ে বলিউডে পা রেখেছিলেন, পরিস্থিতি বুঝে নরম আচরণ করেছিলেন। কিন্তু করিনার আচরণ আজও অনেকের কাছে বিস্ময়ের বিষয়।
পশ্চিমবঙ্গের পহেলগাঁও: পুরুলিয়ার টুরগা উপত্যকার সবুজ মোহে মুগ্ধ দেশ, আপনি যাবেন কবে?