সঞ্জুর ঝলকে জয়ের হাসি চেন্নাইয়ের!
দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন সঞ্জু স্যামসন। তাঁর ঝকঝকে ইনিংসের উপর ভর করে চেন্নাই সুপার কিংস সহজেই হারাল দিল্লি ক্যাপিটালস-কে। এই জয়ের ফলে প্লে-অফে ওঠার আশা আরও উজ্জ্বল করল পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নরা।
মঙ্গলবারের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে দিল্লি তোলে ৭ উইকেটে ১৫৫ রান— যা এই পিচে লড়াই করার মতো স্কোর হলেও একেবারে নিরাপদ ছিল না। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড় দ্রুত আউট হয়ে যান, সঙ্গে ফিরে যান উর্ভিল পটেলও। তবে সেই চাপ সামলে ম্যাচের হাল ধরেন সঞ্জু।
চার নম্বরে নেমে প্রথমে একটু সময় নেন, তারপর ধীরে ধীরে হাত খোলেন। তাঁর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গ দেন কার্তিক শর্মা। দু’জনে মিলে গড়ে তোলেন ১১৪ রানের ম্যাচ জেতানো জুটি, যা কার্যত দিল্লির হাত থেকে ম্যাচ কেড়ে নেয়।
সঞ্জুর ব্যাট থেকে আসে ৫২ বলে ৮৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস— ৭টি চার ও ৬টি ছয়ে সাজানো। শতরানের দোরগোড়ায় পৌঁছেও থামতে হয় তাঁকে, কারণ লক্ষ্য ছিল তুলনামূলক কম। অন্যদিকে কার্তিক ৩১ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন, ঠান্ডা মাথায় ম্যাচ শেষ করে আসেন।
বল হাতে দিল্লির বোলাররা খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেননি। অধিনায়ক অক্ষর পটেল একটি উইকেট নিলেও বাকিরা ছিলেন খরুচে। মিচেল স্টার্ক, টি নটরাজন বা কুলদীপ যাদব— কেউই সঞ্জুর ঝড় থামাতে পারেননি।
এর আগে দিল্লির ইনিংস শুরু থেকেই ছিল টালমাটাল। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। ওপেনার লোকেশ রাহুল বা পাথুম নিসঙ্ক কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। মাঝের সারির ব্যাটাররাও ব্যর্থ হন।
তবে দলকে ভরাডুবি থেকে কিছুটা টেনে তোলেন ট্রিস্টান স্টাবস এবং সমীর রিজ়ভি। তাঁদের জুটিতে আসে ৬৫ রান। রিজ়ভি ২৪ বলে ৪০ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন, শেষদিকে কিছুটা গতি আনেন। তবুও ১৫৫ রানে থেমে যায় দিল্লি।
চেন্নাইয়ের বোলারদের মধ্যে নুর আহমেদ ছিলেন সবচেয়ে সফল। এছাড়া মুকেশ চৌধরি, আকিল হোসেনরাও গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন।
এই জয়ের ফলে ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে চেন্নাই। যদিও পথ এখনও কঠিন, তবে এই জয়ের পর প্লে-অফে ওঠার আশা অনেকটাই উজ্জ্বল হয়েছে। সঞ্জুর ফর্ম যদি এমনই থাকে, তা হলে চেন্নাইকে থামানো যে কঠিন হবে, তা বলাই যায়।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা