ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগে নড়েচড়ে বসল চেন্নাই!
আইপিএলে ম্যাচ গড়াপেটা এবং দলের গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ক্রিকেটমহলে। একটি স্টিং অপারেশনে প্রাক্তন রঞ্জি ক্রিকেটার রাচিত ভাটিয়ার করা দাবির পর এ বার বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসতে চলেছে চেন্নাই সুপার কিংসের বোর্ড। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর দলের বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM)। তার আগে বোর্ডের বৈঠকে অভিযোগগুলি নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।
চেন্নাইয়ের এক কর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। তাঁর কথায়, ক্রিকেটে দুর্নীতির ক্ষেত্রে দলের ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সামনে আসা তথ্যগুলি এখনও যাচাই করা হয়নি। ফলে স্টিং অপারেশনে করা দাবিগুলিকে আপাতত অভিযোগ হিসাবেই দেখা হচ্ছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত ওই স্টিং অপারেশনে রাচিত দাবি করেছেন, ২০২৫ সালের আইপিএলে চেন্নাই দলের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া গোপন তথ্য তিনি বুকিদের কাছে পৌঁছে দিতেন। তাঁর দাবি, প্রতি ম্যাচে প্রথম একাদশ সংক্রান্ত তথ্যের বিনিময়ে ৬০ লক্ষ টাকা করে পেয়েছেন এবং পাঁচটি ম্যাচ থেকে মোট ৩ কোটি টাকা আয় করেছেন। তবে এই দাবির স্বাধীন সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
রাচিত আরও দাবি করেছেন, ২০২৬ সালের আইপিএলেও দলের প্রথম একাদশের তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ক্রিকেটারকে নিলামের মাধ্যমে দলে আনা গেলে ম্যাচ গড়াপেটার সুযোগ তৈরি করা সম্ভব ছিল। তিনি স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য ১ কোটি টাকা পর্যন্ত দেওয়ার কথাও বলেছেন। তবে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, যে উৎসের কথা তিনি উল্লেখ করেছিলেন, সেই ক্রিকেটার ২০২৬ সালের নিলামে নির্বাচিত হননি।
শুধু আইপিএল নয়, রাচিতের দাবি ঘিরে দিল্লি প্রিমিয়ার লিগের নামও উঠে এসেছে। এ বিষয়ে দিল্লি ও জেলা ক্রিকেট সংস্থা (DDCA) জানিয়েছে, তারা বিষয়টি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কাছে জানিয়েছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথা বলেছে। একই সঙ্গে DDCA-ও অভিযোগগুলিকে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত অপ্রমাণিত বলে উল্লেখ করেছে।
চেন্নাই সুপার কিংসের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল। অতীতে দলের মালিকানা গোষ্ঠীর এক সদস্যের অবৈধ বেটিং-সংক্রান্ত ঘটনায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি দুই বছরের জন্য নির্বাসিত হয়েছিল। ফলে নতুন অভিযোগ সামনে আসার পর বোর্ড বিষয়টি কী ভাবে খতিয়ে দেখে, এখন সেটিই নজরে।
এ দিকে, অভিযোগে কোনও নির্দিষ্ট CSK ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে তদন্ত বা যাচাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে সরাসরি দোষের সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। বোর্ডের বৈঠকের পর বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ স্পষ্ট হতে পারে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।