প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় কানাডা!
বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল আয়োজক দেশ কানাডা। রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলশূন্য থাকলেও সংযুক্তি সময়ে অধিনায়ক স্টিফেন এস্তাকিয়োর দুরন্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল তারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছিল কানাডা। বলের দখল, আক্রমণের সংখ্যা এবং সুযোগ তৈরির দিক থেকে প্রতিপক্ষের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে ছিল তারা। তবে একের পর এক সুযোগ নষ্ট করায় নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা পায়নি।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে কানাডা গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এস্তাকিয়োর কর্নার থেকে বোম্বিতোর হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার এক ডিফেন্ডার। ফিরতি প্রচেষ্টাও দুর্দান্তভাবে রুখে দেন গোলরক্ষক রনওয়ে উইলিয়ামস।
এর কিছুক্ষণ পরই তৈরি হয় বিতর্ক। কানাডার রিচি লারিয়া বক্সের ভিতরে ট্যাকলের শিকার হলেও রেফারি পেনাল্টি দেননি। সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠে এবং গ্যালারিতে তীব্র অসন্তোষ দেখা যায়। রিপ্লেতে দেখা যায়, ট্যাকলটি বিতর্কিত হলেও রেফারি নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছন্দ বজায় রাখে কানাডা। জোনাথন ডেভিডকে এ দিন খুব বেশি প্রভাব ফেলতে দেখা না গেলেও অধিনায়ক এস্তাকিয়ো এবং নাথান সালিবার নেতৃত্বে একের পর এক আক্রমণ চালায় স্বাগতিকরা। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকাও পাল্টা আক্রমণ করে কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও কোনও দলই জালের দেখা পায়নি।
ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর অপেক্ষায়, তখনই আসে সিদ্ধান্তসূচক মুহূর্ত। সংযুক্তি সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ডান দিক থেকে আসা পাস নিয়ন্ত্রণ করে দুরন্ত ডান পায়ের শটে বল জালে জড়িয়ে দেন এস্তাকিয়ো। দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষকের আর কিছুই করার ছিল না।
এই একমাত্র গোলেই ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে কানাডা। বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে খেলেই শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেল তারা। অন্যদিকে, লড়াকু পারফরম্যান্স সত্ত্বেও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হল দক্ষিণ আফ্রিকাকে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?