মেক্সিকোয় পৌঁছেই চাপে ইংল্যান্ড! হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ, উচ্চতার চ্যালেঞ্জ সামলাতে ভরসা ভায়াগ্রা

মেক্সিকোয় পৌঁছেই চাপে ইংল্যান্ড!! বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিক মেক্সিকোর বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে ইংল্যান্ড। হ্যারি কেনদের হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং কটূক্তির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সমর্থকদের…

July 4, 2026
1 min read

মেক্সিকোয় পৌঁছেই চাপে ইংল্যান্ড!!

বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিক মেক্সিকোর বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে ইংল্যান্ড। হ্যারি কেনদের হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং কটূক্তির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এর মধ্যেই সামনে এসেছে আরও একটি চমকপ্রদ তথ্য— উচ্চতাজনিত শারীরিক সমস্যার মোকাবিলায় প্রয়োজনে ভায়াগ্রা ব্যবহার করতে পারে ইংল্যান্ড দল।

মেক্সিকোয় এমন ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগে রাউন্ড অফ ৩২-এ ইকুয়েডরও একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিল। ম্যাচের আগের রাতে ইকুয়েডরের ফুটবলারদের ঘুম নষ্ট করতে তাঁদের হোটেলের সামনে কয়েকশো সমর্থক জড়ো হয়ে চিৎকার, বাদ্যযন্ত্র বাজানো এবং গাড়ির হর্ন বাজাতে থাকেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও জানিয়েছিল ইকুয়েডর।

এ বার প্রায় একই পরিস্থিতির মুখে পড়েছে ইংল্যান্ড। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের দাবি, দলের হোটেলের বাইরে বিপুল সংখ্যক মানুষ জড়ো হয়ে ‘মেক্সিকো, মেক্সিকো’ স্লোগান দিতে থাকেন। ভিড়ের মধ্যে থেকে কয়েকজন ইংরেজ ফুটবলারদের উদ্দেশে কটূক্তিও করেন। এতটাই ভিড় ছিল যে দলের বাস হোটেলে ঢুকতে কিছুটা সময় লেগে যায়। বিমানবন্দর থেকে হোটেলে যাওয়ার পথেও কয়েক জায়গায় যান চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন তৈরি হয়।

যদিও প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তার কারণে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিমানবন্দর থেকে হোটেল পর্যন্ত নিরাপত্তা বলয়ে রাখা হয়েছিল ইংল্যান্ড দলকে। হোটেলের বাইরেও ছিল অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন। তবে দলের হোটেলের অবস্থান গোপন রাখা যায়নি বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ইংল্যান্ড শিবির। তাদের আশা, অন্তত অনুশীলনের মাঠের অবস্থান গোপন রাখা হবে, যাতে প্রস্তুতিতে কোনও বিঘ্ন না ঘটে।

মাঠের লড়াইও ইংল্যান্ডের জন্য কঠিন হতে চলেছে। ম্যাচটি হবে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭,৩৫০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। এত উচ্চতায় অক্সিজেনের ঘাটতির কারণে খেলোয়াড়দের দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

সেই কারণেই বিশেষ শারীরবৃত্তীয় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জর্ডন পিকফোর্ড, জুড বেলিংহ্যাম, বুকায়ো সাকাসহ কয়েকজন ফুটবলারের ভায়াগ্রা ব্যবহার নিয়ে আলোচনা চলছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এই ওষুধ উচ্চতায় রক্তসঞ্চালন ও অক্সিজেন গ্রহণে কিছুটা সহায়ক হতে পারে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ভায়াগ্রা খেলাধুলায় নিষিদ্ধ ওষুধ নয়। ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (WADA)-র নিষিদ্ধ তালিকায় এটি নেই। ফলে এর ব্যবহার নিয়ে ফিফারও কোনও আপত্তি নেই। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজন হলে খেলোয়াড়েরা এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

ভারতীয় সময় অনুযায়ী আগামী ৬ জুলাই ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও মেক্সিকো। মাঠের বাইরের উত্তেজনার পর এবার নজর থাকবে, শেষ পর্যন্ত মাঠের লড়াইয়ে কে এগিয়ে থাকে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *