মায়ের নাম নিয়ে কটাক্ষে তুঙ্গে বিতর্ক: সারার সঙ্গে ওরির বন্ধুত্ব ভাঙল কেন?

সারার সঙ্গে ওরির বন্ধুত্ব ভাঙল কেন? শুরুটা নিছক রসিকতা বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু সময় যত এগিয়েছে, ততই স্পষ্ট হয়েছে—সারা আলি খান ও বলিউডের পরিচিত নেটপ্রভাবী ওরির বন্ধুত্বে বড়সড় ফাটল ধরেছে।…

January 27, 2026
1 min read

সারার সঙ্গে ওরির বন্ধুত্ব ভাঙল কেন?

শুরুটা নিছক রসিকতা বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু সময় যত এগিয়েছে, ততই স্পষ্ট হয়েছে—সারা আলি খান ও বলিউডের পরিচিত নেটপ্রভাবী ওরির বন্ধুত্বে বড়সড় ফাটল ধরেছে। শুধু বন্ধুত্ব ভাঙাই নয়, প্রকাশ্যে সারাকে নিয়ে একের পর এক কটাক্ষ করে বিতর্ক আরও উসকে দিয়েছেন ওরি। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, সারার মায়ের নাম টেনেও ব্যঙ্গ করতে পিছপা হননি তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত কয়েক দিন আগে। ওরি তাঁর সমাজমাধ্যমে একটি রিল পোস্ট করেন, যেখানে ‘সবচেয়ে খারাপ কিছু নাম’-এর উদাহরণ হিসেবে তিনটি নামের উল্লেখ করেন—অমৃতা, সারা ও পলক। প্রথমে বিষয়টি হালকা ঠাট্টা বলে মনে হলেও, অনেকেরই চোখে পড়ে এই নামগুলির সঙ্গে সারার ব্যক্তিগত জীবনের যোগ। কারণ, সারার মায়ের নাম অমৃতা সিংহ এবং তাঁর ভাই ইব্রাহিম আলি খানের আলোচিত প্রেমিকার নাম পলক তিওয়ারি। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ওঠে—এ কি কাকতালীয়, না কি ইচ্ছাকৃত আক্রমণ?

তাতেই থামেননি ওরি। পরের একটি পোস্টে তাঁকে দেখা যায় অন্তর্বাসের নকশা দেওয়া একটি টি-শার্ট পরে থাকতে। সেই ছবির নীচে এক অনুরাগী কৌতূহল থেকে প্রশ্ন করেন, “এই অন্তর্বাসটি ঠিক কী ধরে রাখার জন্য?” উত্তরে ওরি লেখেন, “সারা আলি খানের সফল কিছু ছবি!” মন্তব্যটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। অনুরাগী তখনও বিষয়টিকে ঠাট্টা ভেবে লেখেন, “এই মন্তব্য দেখে সারাও হয়তো হাসছেন।” কিন্তু ওরির পাল্টা জবাব পরিস্থিতিকে আরও তিক্ত করে তোলে। তিনি লেখেন, “হাসছেন? নিজের কেরিয়ার দেখে হাসছেন বলে আমার মনে হয়।”

এই মন্তব্য থেকেই অনেকের ধারণা, ওরি ও সারার মধ্যে সমস্যাটা মোটেও ছোট নয়। প্রকাশ্যে এমন ব্যক্তিগত আক্রমণ সাধারণ রসিকতার গণ্ডি অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে বলে মনে করছেন নেটাগরিকদের একাংশ। আশ্চর্যের বিষয়, ওরির কিছু অনুরাগী আবার এই মন্তব্যে তাঁকে সমর্থনও করেছেন।

অন্য দিকে, সারার অনুরাগীদের ক্ষোভ চরমে। তাঁদের বক্তব্য, সমাজমাধ্যমে এ ধরনের মন্তব্য মানসিক হেনস্থার সামিল। কারও পরিবার বা কেরিয়ার নিয়ে প্রকাশ্যে এমন কথা বলার কোনও অধিকার নেই বলেই মত তাঁদের। অনেকেই ওরির আচরণকে ‘অরুচিকর’ ও ‘অসভ্য’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন।

এক সময় সারা ও ওরিকে বন্ধুর মতোই দেখা যেত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও ইনস্টাগ্রাম পোস্টে। কিন্তু এখন সেই সমীকরণ যে সম্পূর্ণ বদলে গেছে, তার প্রমাণ মিলেছে সোশ্যাল মিডিয়াতেই। ইনস্টাগ্রামে ওরিকে ‘আনফলো’ করেছেন সারা ও তাঁর ভাই ইব্রাহিম—দু’জনেই। যদিও এই বিতর্ক নিয়ে সারা বা তাঁর টিমের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি।

সব মিলিয়ে, বন্ধুত্ব থেকে প্রকাশ্য বাকযুদ্ধে রূপ নেওয়া এই ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলছে—সোশ্যাল মিডিয়ার আলোয় ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভাঙলে, তার সীমা কোথায় থাকা উচিত? সারা-ওরির এই দ্বন্দ্ব আপাতত সেই প্রশ্নেরই নতুন উদাহরণ হয়ে রইল।

‘স্পিরিট’-এ প্রভাসের ১৬০ কোটি! নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ফারাক ঘিরে নতুন চর্চা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *