ভোটগণনায় কড়া নজরদারি!
সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা ঘিরে নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। গণনাপ্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের গাফিলতি বা বিশৃঙ্খলা এড়াতে অতিরিক্ত ১৬৫ জন গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামলানোর জন্য ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষকও দায়িত্বে থাকবেন। সব মিলিয়ে মোট ২৪২ জন পর্যবেক্ষক ভোটগণনা প্রক্রিয়া নজরদারি করবেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।
কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষকদের মূল দায়িত্ব হবে প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে কাজের সহায়তা করা এবং পুরো প্রক্রিয়া সঠিকভাবে চলছে কি না তা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে যেখানে একাধিক গণনাকক্ষ রয়েছে, সেখানে এই অতিরিক্ত পর্যবেক্ষকেরা আগের নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবেন। তাদের উপস্থিতির লক্ষ্য হল গণনাপ্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, দ্রুত এবং নির্ভুল রাখা।
অন্যদিকে, প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে একজন করে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের মোট সংখ্যা ৭৭ জন। তাঁদের দায়িত্ব মূলত গণনাকেন্দ্রের বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি করা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা। তবে কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা কোনওভাবেই গণনাকক্ষের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। তাঁরা কেবলমাত্র বাইরের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিশন আরও জানিয়েছে, ভোটগণনার সময় নির্দিষ্ট নিয়ম কঠোরভাবে মানা হবে। শুধুমাত্র গণনা পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসার ছাড়া আর কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। প্রতিটি টেবিলে মাইক্রো অবজার্ভার থাকবেন, যাঁরা আলাদা করে ফলাফল নথিভুক্ত করবেন। ফলাফল লেখা হবে নির্দিষ্ট ফর্ম ১৭সি-টু অনুযায়ী, যা প্রস্তুত করবেন কাউন্টিং সুপারভাইজার। গণনা এজেন্টরা সেই প্রক্রিয়ায় উপস্থিত থেকে স্বাক্ষরও করবেন।
নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বহুমাত্রিক নজরদারি ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হল ভোটগণনাকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ এবং প্রশ্নমুক্ত রাখা। ফলে অতিরিক্ত পর্যবেক্ষক, পুলিশ নজরদারি এবং কঠোর নিয়মাবলির মাধ্যমে এবারের গণনাপর্বকে আরও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?