ভিনিসিয়াসকে নিয়ে টানাপোড়েন!!
বিশ্বকাপের পর দুরন্ত ফর্মে থাকা ভিনিসিয়াস জুনিয়রের ক্লাব ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে নতুন চুক্তি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সেই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে প্রস্তুত ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল। যদিও ব্রাজ়িলীয় তারকাকে ছাড়তে মোটেই আগ্রহী নন রিয়ালের কোচ হোসে মোরিনহো।
‘দ্য অ্যাথলেটিক’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন মরসুমের আগে আক্রমণভাগ আরও শক্তিশালী করতে চায় আর্সেনাল। সেই লক্ষ্যেই ভিনিসিয়াস তাদের ট্রান্সফার তালিকার অন্যতম শীর্ষ নাম। যদিও এখনও পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়নি।
ভিনিসিয়াসের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের ৩০ জুন। নতুন চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হলেও এখনও কোনও সমঝোতা হয়নি। যদি এই অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হয়, তবে ভবিষ্যতে মোটা ট্রান্সফার ফি নিয়ে তাঁকে বিক্রি করার কথা ভাবতে পারে রিয়াল। কারণ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাঁকে বিনামূল্যে ছেড়ে দিলে ক্লাবকে লয়্যালটি বোনাসও দিতে হবে। তাই শেষ পর্যন্ত সমাধান না হলে আগেভাগেই তাঁকে বিক্রি করে দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
তবে আর্সেনালের পথ মোটেই সহজ নয়। কারণ নতুন কোচ হোসে মোরিনহো ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী মরসুমের পরিকল্পনায় ভিনিসিয়াস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিলিয়ান এমবাপে এবং জুড বেলিংহ্যামের সঙ্গে ব্রাজ়িলীয় ফরোয়ার্ডকে ঘিরেই দল গড়তে চান তিনি। বিশ্বকাপেও ভিনিসিয়াসের পারফরম্যান্স মোরিনহোর আস্থা আরও বাড়িয়েছে।
এই কারণেই আপাতত পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে আর্সেনাল। তারা জানে, রিয়ালের সঙ্গে চুক্তি নবীকরণে সমস্যা তৈরি হলেই ট্রান্সফারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে রিয়াল যত দিন ভিনিসিয়াসকে ধরে রাখতে আগ্রহী থাকবে, তত দিন এই চুক্তি বাস্তবায়ন সহজ হবে না।
২০১৮ সালে ব্রাজ়িলের ফ্ল্যামেঙ্গো থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন ভিনিসিয়াস। তারপর থেকেই তিনি স্প্যানিশ ক্লাবটির অন্যতম নির্ভরযোগ্য ফুটবলার। এখনও পর্যন্ত রিয়ালের জার্সিতে ৩৭৫টি ম্যাচ খেলে ১২৮টি গোল করেছেন এবং সতীর্থদের দিয়ে আরও ১০০টি গোল করিয়েছেন। গত মরসুমেও তিনি ২২টি গোল করে দলের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
রিয়াল টানা দু’মরসুম বড় কোনও ট্রফি জিততে না পারলেও ভিনিসিয়াসের গুরুত্ব একটুও কমেনি। তাই শেষ পর্যন্ত তিনি সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ছাড়বেন, নাকি নতুন চুক্তিতে থেকে যাবেন— সেটাই এখন ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম বড় ট্রান্সফার প্রশ্ন।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?