অবসরের কথা ভেবেছিলেন রোনাল্ডো!
বিশ্বকাপ থেকে পর্তুগালের বিদায়ের পর অবসরের কথা মাথায় এসেছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। কিন্তু এখনই ফুটবলকে বিদায় জানানোর কথা ভাবছেন না পর্তুগিজ তারকা। বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি না ভেবে বর্তমানেই মন দিতে চান তিনি। নেশনস লিগে ওয়েলসের বিরুদ্ধে নামার আগে নিজের অবসর নিয়ে এমনটাই জানিয়েছেন রোনাল্ডো।
বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর রোনাল্ডো অবসর নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেছিলেন। তাঁর কথায়, ‘‘অবশ্যই অবসরের কথা ভেবেছিলাম। নিজের সিদ্ধান্ত, ভবিষ্যৎ এবং বর্তমান নিয়ে আমি সব সময় ভাবি। প্রেসিডেন্ট ও কোচের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তবে এখনও মনে হয়, জাতীয় দল যে জায়গায় পৌঁছতে চায়, সেখানে পৌঁছতে আমি সাহায্য করতে পারিনি। যখন মনে হবে আমার আর প্রয়োজন নেই, তখন সরে যাব।’’
জাতীয় দলের সঙ্গে থাকলেও আপাতত অনেক দূরের পরিকল্পনা করতে নারাজ রোনাল্ডো। তাঁর কথায়, ‘‘এই বয়সে ভবিষ্যৎ নিয়ে আর ভাবি না। আমার কাছে বর্তমানটাই গুরুত্বপূর্ণ।’’
গত বার রোনাল্ডোর নেতৃত্বেই নেশনস লিগ জিতেছিল পর্তুগাল। এখন তাঁর লক্ষ্য শুধু নিজের পারফরম্যান্স নয়, দলের তরুণ ফুটবলারদেরও অভিজ্ঞতা দিয়ে সাহায্য করা। তবে রোনাল্ডো স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মাঠে তাঁর প্রধান দায়িত্ব এখনও গোল করা এবং দলকে জেতানো।
সমালোচনা নিয়েও অবশ্য খুব একটা চিন্তিত নন পর্তুগিজ তারকা। তাঁর দাবি, দেশের সমর্থকদের কাছ থেকে এখনও যথেষ্ট ভালবাসা পান তিনি। একই সঙ্গে কিছু সংবাদমাধ্যমের সমালোচনাকেও নিজের দীর্ঘ কেরিয়ারের অংশ হিসাবেই দেখছেন।
রোনাল্ডো বলেছেন, ‘‘২০ বছর ধরে এই কাজ করছি। সমালোচনা কী ভাবে সামলাতে হয়, তা শিখে গিয়েছি। যাঁরা আমাকে ভালবাসেন, তাঁদের দেওয়া স্মৃতিগুলিই আমার সঙ্গে থাকবে। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই আমাকে উদাহরণ হিসাবে দেখে। তাই আমি নিজের কাজ করে যাব।’’
এরই মধ্যে রোনাল্ডোর সামনে রয়েছে আরও একটি বড় ব্যক্তিগত লক্ষ্য—১০০০ গোল। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ৯৭৯। অর্থাৎ চার অঙ্কে পৌঁছতে আর মাত্র ২১টি গোল প্রয়োজন।
এই মাইলফলক নিয়ে রোনাল্ডো বলেন, ‘‘আমি বার বার বলেছি, ওই লক্ষ্যে পৌঁছতে চাই। তবে সেটাই আমার একমাত্র ইচ্ছা নয়। ১০০০ গোল হয়ে গেলে সেটা কেকের উপর চেরির মতো হবে। আর জাতীয় দলের হয়ে সেই গোল করতে পারলে আনন্দ আরও বেশি হবে।’’
অর্থাৎ অবসরের চিন্তা আপাতত দূরে সরিয়ে রোনাল্ডোর চোখ এখন বর্তমানের দিকে। জাতীয় দলের হয়ে আরও গোল করা, তরুণদের সাহায্য করা এবং সম্ভব হলে ১০০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়াই তাঁর সামনে বড় লক্ষ্য।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।