‘ভালো ছেলেই তো নেই!’—নববর্ষে উষসী একাই বকুলতলায়!
নতুন বছরের সকালে ঢাক-ঢোল নয়, বরং একরাশ হতাশা নিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন অভিনেত্রী উষসী চক্রবর্তী—”কার সঙ্গে যাব বকুলতলায়? ভালো ছেলে কোথায়!” রোদঝলমলে বৈশাখী বিকেলে লাল পাড় সাদা শাড়ি, স্প্যাগেটি ব্লাউজ, চোখে সানগ্লাস, কপালে লাল সিঁদুরের টিপ—এই রূপেই কলকাতার ময়দানে ধরা দিলেন উষসী।
সমাজমাধ্যমের জন্য একটি ভিডিও শুটে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। আর সেই ভিডিওতে বাজছে রোমান্টিক গান—‘বৈশাখের বিকেল বেলায়, তোমায় নিয়ে বকুলতলায়’। কিন্তু সেই ‘তোমায়’-এর খোঁজেই যেন বিভ্রান্ত উষসী!
প্রেম-পর্বে ‘ডিজার্টেড’ উষসী!
সোজাসাপটা ভাষায় উষসীর মন্তব্য, “কার সঙ্গে যাব বলুন তো? এ রকম ছেলে কোথায় যে রসবোধ আছে, আবার ফিটনেসেও সচেতন! চারপাশে শুধু বেলতলায় যাওয়ার লোক, কিন্তু বকুলতলায় প্রেম করার লোক কোথায়!”
এমন খোলামেলা কথায় অনেকে হয়তো চমকে উঠবেন, কিন্তু উষসী বরাবরই স্পষ্টভাষী। তাঁর মতে, প্রেম করার মতো যোগ্য পুরুষ এখন বিরল। তাই বকুলতলা নয়, উল্টে ন্যাড়া মাথায় বেলতলায় যাওয়া লোকই বেশি চোখে পড়ে তাঁর।
সাবেকি সাজে আধুনিক উষসী
নববর্ষে সাবেকি সাজে আধুনিকতার ছোঁয়া এনেছেন অভিনেত্রী। শুধু সাজগোজেই থেমে থাকেননি—শাড়ি পরে ঘোড়ায় চড়েছেন! যা আজকের দিনে কার্যত বিরল। উষসীর কথায়, “শাড়ি পরে ঘোড়ায় চড়তে গেলে ফিটনেস দরকার, আর সেটা আমার আছে। নিয়মিত যোগব্যায়াম করি। তাই আমার পক্ষে সম্ভব হয়েছে। এখনকার দিনে এমনটা সচরাচর দেখা যায় না।”
তিনি আরও বলেন, “আগে রানিরা শাড়ি পরে ধুতির মতো বেঁধে ঘোড়ায় চড়তেন। তার মানে তাঁরাও যথেষ্ট সবল ছিলেন।” নববর্ষে এমন একটি চিত্র সত্যিই মন কাড়ার মতো।
নববর্ষে কোথায় যাচ্ছেন উষসী?
উষসীর নতুন বছরের প্ল্যান? কলেজ স্ট্রিটের বিখ্যাত শরবতের দোকান ‘প্যারামাউন্ট’-এ ঢুঁ মারা তো থাকছেই। এ দিন একটুখানি নিজের ডায়েট ভুলে মিষ্টিও খাবেন তিনি। তবে খাওয়া শেষেই আবার কাজের ব্যস্ততা—চলবে তাঁর আসন্ন ছবি ‘অঙ্ক কি কঠিন’-এর প্রচার।
একা কিন্তু শক্ত হাতে
প্রেম নেই, প্রেমিক নেই, তবু নববর্ষে নিজের ছন্দেই বাঁচছেন উষসী। তাঁর রসিক মন্তব্য, বাস্তবিকই আমাদের সমাজে আজকাল বকুলতলার মতো রোমান্টিকতা হারিয়ে যাচ্ছে। সেই জায়গায় আছে বেলতলার বাস্তবতা—জটিলতা, একাকীত্ব, আর হাস্যকর সম্পর্কের দাবিদাওয়া।
নববর্ষের দিনে সকলেই যখন যুগলে ছবি তুলতে ব্যস্ত, তখন উষসীর এই স্বতন্ত্রতা এক অন্যরকম বার্তা দেয়—ভালোবাসা যদি আসে, ঠিক আসবে। তার আগে নিজেকে ভালোবাসাই আসল উৎসব!
অগ্নিগর্ভ মুর্শিদাবাদ, আর ইউসুফ পঠান ‘ফুরফুরে চা’-এ মশগুল! ক্ষোভে ফুঁসছে জনতা