ভারতের ঘরোয়া ফুটবলে নতুন বাণিজ্যিক অংশীদারের খোঁজ: ক্লাবদেরও মতামত চাইছে এআইএফএফ

ভারতের ঘরোয়া ফুটবলে নতুন বাণিজ্যিক অংশীদারের খোঁজ! ভারতের ঘরোয়া ফুটবলের ভবিষ্যৎ আরও দৃঢ় করতে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সহযোগী খুঁজছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা (এআইএফএফ)। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ক্লাবগুলির মতামতও নেওয়ার উদ্যোগ…

March 30, 2026
1 min read

ভারতের ঘরোয়া ফুটবলে নতুন বাণিজ্যিক অংশীদারের খোঁজ!

ভারতের ঘরোয়া ফুটবলের ভবিষ্যৎ আরও দৃঢ় করতে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সহযোগী খুঁজছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা (এআইএফএফ)। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ক্লাবগুলির মতামতও নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থা। এতে করে দেশের ফুটবল প্রজেক্টগুলোকে আরও শক্তিশালী আর স্বচ্ছভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

আনন্দবাজার ডট কম-এর প্রতিবেদনে জানা গেছে, রবিবার এআইএফএফ-এর কার্যকরী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সংস্থা আইএসএল, ফেডারেশন কাপ, মহিলাদের আইলিগ এবং মহিলাদের আইলিগ ২-এর জন্য দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক অংশীদারের সন্ধান করছে। ইতিমধ্যেই তিনটি দরপত্র জমা পড়েছে, যা অডিট সংস্থা কেপিএমজি-কে পাঠানো হয়েছে। কেপিএমজিকে বলা হয়েছে দরপত্রগুলো খতিয়ে দেখে একটি তুলনামূলক রিপোর্ট তৈরি করতে।

২০২৫-২৬ মরসুমে আইএসএলের সম্প্রচার স্বত্ব রয়েছে ফ্যানকোড-এর হাতে। ফ্যানকোড চাইছে আইএসএলের বাণিজ্যিক সহযোগী হিসেবে দীর্ঘমেয়াদি অংশ নেওয়ার। একই সঙ্গে জিনিয়াস স্পোর্টসও আইএসএল এবং ফেডারেশন কাপের জন্য দরপত্র জমা দিয়েছে। মহিলাদের ফুটবলের ক্ষেত্রে কেপ্রি স্পোর্টস একমাত্র দরপত্রকারি, তারা ২০ বছরের জন্য ১৬০ কোটি টাকার প্রস্তাব দিয়েছে।

এই দরপত্রগুলো অর্থনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। আইএসএল-এর জন্য সবচেয়ে বড় প্রস্তাব এসেছে ২০ বছরের জন্য ২,১২৯ কোটি টাকার। ফ্যানকোডের প্রস্তাব ২০ বছরের জন্য ১,১৯০ কোটি টাকা। মহিলাদের লিগে একমাত্র দরপত্রকারি কেপ্রি স্পোর্টস। দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সহযোগীর মাধ্যমে লিগগুলোতে আরও স্থায়িত্ব ও উন্নয়ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

এআইএফএফ-এর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অনেক আলোচনা ও পর্যালোচনার পর কার্যকরী কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে কেপিএমজি তিনটি দরপত্র বিশ্লেষণ করে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করবে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ক্লাবগুলিকেও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এআইএফএফ-এর বার্ষিক সাধারণ সভার বৈঠকে।”

সংস্থার এই পদক্ষেপ দেশের ফুটবল ক্লাবগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ক্লাবগুলো তাদের মতামত জানালে নতুন বাণিজ্যিক অংশীদারকে গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সমন্বিত হবে। দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব শুধু অর্থনৈতিক দিক নয়, ফুটবলের কৌশলগত উন্নয়নেও সাহায্য করবে।

এআইএফএফ-এর এই উদ্যোগে আশা করা যাচ্ছে, আগামী কয়েক বছরে ভারতের ঘরোয়া ফুটবল আরও সুসংগঠিত হবে। লিগগুলোতে খেলোয়াড়, কোচ, এবং ক্লাব পরিচালকদের জন্য স্থায়িত্ব আসবে, যা দেশের ফুটবলের মানকে আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত করবে।

ভারতের ফুটবলের প্রতি এই ধরণের স্বচ্ছ ও যৌক্তিক উদ্যোগ দেশের খেলোয়াড় ও ভক্তদের মধ্যে আশা ও আস্থা তৈরি করবে। ক্লাবগুলোর মতামত নেওয়ার মাধ্যমে একদিকে যেমন অংশীদারের পছন্দে স্বচ্ছতা থাকবে, তেমনি অন্যদিকে খেলোয়াড় ও লিগের স্বার্থও সংরক্ষিত হবে।

শেষ লড়াইয়ের গল্প: জল থেকে তোলার পরও বেঁচে ছিলেন রাহুল, তবু বাঁচানো গেল না

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *