বিশ্বকাপে গোলের ঝড়!!
এ বারের বিশ্বকাপে যেন গোলের উৎসব চলছে। এখনও গ্রুপ পর্ব শেষ হয়নি, অথচ ইতিমধ্যেই কাতার বিশ্বকাপের মোট গোলের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ২০২৬ সালের প্রতিযোগিতা। Lionel Messi, Kylian Mbappé, Erling Haaland-এর মতো তারকাদের পায়ের ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে একের পর এক নতুন নজির।
এ বার ৩২টি দলের বদলে বিশ্বকাপে খেলছে ৪৮টি দেশ। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই বেড়েছে ম্যাচের সংখ্যা। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে মোট ৬৪টি ম্যাচ হয়েছিল, যেখানে এ বার মোট ম্যাচ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০৪। শুধু গ্রুপ পর্বেই রয়েছে ৭২টি ম্যাচ।
তবে শুধু ম্যাচ বাড়ার কারণেই গোলের সংখ্যা বেড়েছে, এমন নয়। গোলের গতি এতটাই বেশি যে গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার আগেই আগের বিশ্বকাপকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ২০২৬।
কাতার বিশ্বকাপে ৬৪টি ম্যাচে মোট ১৭২টি গোল হয়েছিল। এ বার ৫৯তম ম্যাচেই সেই সংখ্যা ছাপিয়ে যায়। তুরস্কের বিরুদ্ধে আমেরিকার অস্টন ট্রাস্টি এই বিশ্বকাপের ১৭৩তম গোলটি করেন। সেই ম্যাচে আরও চারটি গোল হওয়ায় সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়ায় ১৭৭-এ। যদিও প্যারাগুয়ে ও অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হওয়ায় সাময়িক ভাবে সেই সংখ্যাতেই রয়েছে প্রতিযোগিতা।
মেসি সবার আগে, পিছনে এমবাপে-ভিনিসিয়াস-হালান্ড
গোলের তালিকাতেও জমে উঠেছে লড়াই। এখনও পর্যন্ত শীর্ষে রয়েছেন মেসি। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক পাঁচটি গোল করে এগিয়ে রয়েছেন। তাঁর পিছনে রয়েছেন তিন জন তারকা— Kylian Mbappé, Vinícius Júnior এবং Erling Haaland। প্রত্যেকের ঝুলিতে রয়েছে চারটি করে গোল।
তিনটি করে গোল করেছেন জার্মানির ডেনিজ় উন্ডাভ, সুইৎজ়ারল্যান্ডের জোহান মাঞ্জাম্বি, নেদারল্যান্ডসের ব্রায়ান ব্রবি, ব্রাজ়িলের ম্যাথিয়াস কুনহা এবং কানাডার জোনাথন ডেভিড।
এ ছাড়াও ২০ জন ফুটবলার দু’টি করে গোল করেছেন। ফলে ব্যক্তিগত গোলের লড়াই যেমন আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে, তেমনই দলগুলির আক্রমণাত্মক ফুটবলও নজর কেড়েছে।
ফিফার সভাপতির প্রশংসা
FIFA সভাপতি Gianni Infantino জানিয়েছেন, আগের বিশ্বকাপের গোলের রেকর্ড ভেঙে যাওয়া প্রমাণ করছে এ বারের প্রতিযোগিতা কতটা আক্রমণাত্মক হচ্ছে।
তাঁর মতে, এখনও ৪৪টি ম্যাচ বাকি থাকায় গোলের সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা অনুমান করাও কঠিন। নকআউট পর্বে বড় দলগুলির লড়াই শুরু হলে গোলের এই বন্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?