প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে ফের বিতর্কে ইনফান্তিনো, প্রাক্তন প্রেমিকাকে বিপুল টাকা দেওয়ার অভিযোগ উয়েফার বিরুদ্ধে

প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে ফের বিতর্কে ইনফান্তিনো ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ঘিরে ফের উঠল আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা উয়েফায় সাধারণ সচিব থাকার সময় সংস্থারই এক কর্মীর সঙ্গে তাঁর…

August 8, 2026
1 min read

প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে ফের বিতর্কে ইনফান্তিনো

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ঘিরে ফের উঠল আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা উয়েফায় সাধারণ সচিব থাকার সময় সংস্থারই এক কর্মীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেছে ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’। অভিযোগ, ওই সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত এক মহিলাকে উয়েফা ছাড়ার সময় বিপুল অঙ্কের অর্থ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি সংস্থা ছাড়ার পর তাঁর এমবিএ পড়ার খরচও নাকি বহন করেছিল উয়েফা।

তবে এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন ইনফান্তিনো। ফিফার তরফেও দাবি করা হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উয়েফার সাধারণ সচিব থাকার সময় সংস্থার এক কর্মীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন ইনফান্তিনো। ওই মহিলা পরে উয়েফা ছেড়ে দেন। সেই সময় তাঁকে ছয় অঙ্কের অর্থ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। শুধু বিদায়কালীন অর্থ নয়, উয়েফা ছাড়ার পর ব্যবসায় শিক্ষার জন্য তাঁর এমবিএ কোর্সের খরচও সংস্থার তরফে বহন করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

উয়েফার এক কর্তার বক্তব্য অবশ্য কিছুটা আলাদা। তিনি জানিয়েছেন, সংস্থা ছাড়ার সময় কর্মীদের বিদায়কালীন অর্থ দেওয়ার নিয়ম ছিল। ওই মহিলাও সেই নিয়মের আওতায় অর্থ পেয়েছিলেন। তবে তাঁর দাবি, ছয় অঙ্কের অর্থ দেওয়া সাধারণ নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পরে ২০১৬ সালে এই নিয়মে পরিবর্তন আনা হয় এবং বর্তমানে কর্মীদের বিদায়কালীন অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়।

ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অবশ্য ফিফার তরফে পুরোপুরি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফিফার এক মুখপাত্রের দাবি, এমন কোনও ঘটনার সঙ্গে ইনফান্তিনোর জড়িত থাকার প্রমাণ নেই। কোনও কর্মীও তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ করেননি। কর্মীদের নিয়ে যে কোনও সিদ্ধান্ত সংস্থার নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই নেওয়া হয় এবং বিদায়কালীন আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রেও পরিচালন পর্ষদের অনুমোদন প্রয়োজন হয়।

২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত উয়েফায় কাজ করেছিলেন ইনফান্তিনো। পরে ২০১৬ সালে ফিফা সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। বর্তমানে তৃতীয় বারের জন্য সেই পদে নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তবে তাঁর ভবিষ্যৎ প্রার্থিতা নিয়েও ফুটবল মহলে মতবিরোধ রয়েছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, তারা ইনফান্তিনোর প্রার্থিতাকে সমর্থন করবে না। তাঁর প্রস্তাবিত ‘ফিফা ফাস্ট ফরোয়ার্ড প্রোগ্রাম’ নিয়েও ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং এশিয়ার একাধিক দেশের আপত্তি রয়েছে।

অন্য দিকে, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশ ফের ইনফান্তিনোকেই ফিফার শীর্ষ পদে দেখতে আগ্রহী। ফলে এক দিকে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, অন্য দিকে তৃতীয় বার সভাপতি হওয়ার দৌড়—সব মিলিয়ে ইনফান্তিনোকে ঘিরে বিতর্ক থামার কোনও লক্ষণ আপাতত দেখা যাচ্ছে না।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *