পুজোয় ভারী ঝুমকো পরেও কানে ব্যথা হবে না!
দুর্গাপুজোয় শাড়ি, সাজগোজ আর গয়নার সঙ্গে ভারী ঝুমকো বা দুলের আলাদা একটা আকর্ষণ রয়েছে। খুব বেশি গয়না না পরেও কানে বড় একজোড়া দুল পরলেই সাজে চলে আসে আলাদা ঝলক। কিন্তু সমস্যা হয় কিছু ক্ষণ পরেই। ভারী দুলের ওজনে কানের লতি টনটন করতে শুরু করে। অনেক সময় ব্যথার কারণে দুল খুলেও রাখতে হয়।
তবে কয়েকটি সহজ কৌশল জানা থাকলে এই সমস্যা অনেকটাই এড়ানো যায়।
১. ইয়ার লোব টেপ ব্যবহার করুন
অনলাইনে কানের লতির জন্য বিশেষ আঠাযুক্ত গোলাকার ‘ইয়ার লোব টেপ’ পাওয়া যায়। ভারী দুল পরার আগে টেপটি কানের লতিতে লাগিয়ে নিন। তার উপর দুলের পিন ঢুকিয়ে পিছনের অংশটি টেপের সঙ্গে আটকে দিলে দুলের ওজন কিছুটা ছড়িয়ে যায়। ফলে কানের লতিতে সরাসরি চাপ কম পড়ে।
২. ধাতব প্যাচের বদলে রবারের প্যাচ
অনেক ভারী দুলের সঙ্গে ছোট ধাতব প্যাচ দেওয়া থাকে। সেটি কানের লতিতে তুলনামূলক বেশি চাপ তৈরি করতে পারে। তার বদলে বড় এবং নরম রবারের প্যাচ ব্যবহার করতে পারেন। এতে দুলটি ভাল ভাবে আটকে থাকবে, আবার কানের লতিতেও চাপ তুলনামূলক কম পড়বে।
৩. অসাড় করার ক্রিম ব্যবহারে সতর্ক থাকুন
কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় ভাবে অবশ করার ক্রিম ব্যবহারের কথা বলা হয়। তবে কানের লতিতে কোনও ধরনের মেডিকেটেড ক্রিম নিজে থেকে লাগানোর আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ। বিশেষ করে ত্বক সংবেদনশীল হলে এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ।
৪. ইয়ারিং সাপোর্ট চেন
ভারী ঝুমকোর ওজন কিছুটা সামলানোর জন্য ‘ইয়ারিং সাপোর্ট ইয়ার চেন’ ব্যবহার করতে পারেন। দেখতে অনেকটা ছোট প্লাস্টিকের চেনের মতো এই সাপোর্ট দুলের সঙ্গে যুক্ত করে কানের উপর অতিরিক্ত টান কমাতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘ সময় ভারী দুল পরলেও অস্বস্তি কিছুটা কম হতে পারে।
পুজোর সাজে ভারী ঝুমকো থাকতেই পারে। তবে শুধু দেখতে ভাল লাগার জন্য দীর্ঘ সময় কানের লতিতে অতিরিক্ত চাপ দেওয়া ঠিক নয়। ব্যথা, ফোলা বা জ্বালা শুরু হলে দুল খুলে কানকে বিশ্রাম দেওয়াই সবচেয়ে ভাল।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।