পরোটা, কবাব থেকে বিরিয়ানির সঙ্গে টক দই থাকে ভারতে, কোরিয়ানেরা কী খান জানেন?

পরোটা, কবাব থেকে বিরিয়ানির সঙ্গে টক দই থাকে ভারতে! ভারতীয় খাবারে পরোটা, বিরিয়ানি, কবাব কিংবা রাজমা-চাওলের সঙ্গে টক দই বা রায়তা যেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। পশ্চিমবঙ্গে শেষ পাতে মিষ্টি দইয়ের…

August 1, 2026
1 min read

পরোটা, কবাব থেকে বিরিয়ানির সঙ্গে টক দই থাকে ভারতে!

ভারতীয় খাবারে পরোটা, বিরিয়ানি, কবাব কিংবা রাজমা-চাওলের সঙ্গে টক দই বা রায়তা যেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। পশ্চিমবঙ্গে শেষ পাতে মিষ্টি দইয়ের রীতি থাকলেও উত্তর ভারতে মূল খাবারের সঙ্গেই টক দই পরিবেশন করা হয়। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার খাবারের টেবিলে এই ভূমিকা পালন করে একেবারেই ভিন্ন ধরনের কিছু পদ। সেখানে মূল খাবারের সঙ্গে থাকে ‘বানচান’ (Banchan)— ছোট ছোট একাধিক সাইড ডিশের সমাহার, যা কোরিয়ান খাদ্যসংস্কৃতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

কোরিয়ানদের ‘বানচান’ কী?

কোরিয়ানদের প্রধান খাবারে সাধারণত থাকে ভাত, স্যুপ বা স্ট্যু এবং কোনও প্রোটিনসমৃদ্ধ পদ। এর সঙ্গে একসঙ্গে পরিবেশন করা হয় কয়েক ধরনের সাইড ডিশ, যেগুলিকে একত্রে বলা হয় বানচান।

সবচেয়ে জনপ্রিয় বানচানের মধ্যে রয়েছে—

  • কিমচি (ফারমেন্টেড বাঁধাকপি বা মূলা)
  • মশলাদার অঙ্কুরিত বিন (Bean Sprouts)
  • গামজা জোরিম (সয়া সসে রান্না করা আলু)
  • মুলোর আচার
  • পদ্মের কাণ্ড (Lotus Root) ভাজা বা রান্না

প্রতিটি খাবারই আলাদা স্বাদ, পুষ্টিগুণ এবং টেক্সচার যোগ করে মূল খাবারে।

ভারতীয় টক দই বনাম কোরিয়ান বানচান

ভারতে টক দই শুধু স্বাদই বাড়ায় না, এটি প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ হওয়ায় হজমেও সাহায্য করে। গরম আবহাওয়ার দেশে শরীর ঠান্ডা রাখতেও দই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। তাই বিরিয়ানি, পরোটা কিংবা ঝাল খাবারের সঙ্গে রায়তা বা টক দই খাওয়ার চল দীর্ঘদিনের।

অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া তুলনামূলক ঠান্ডা। সেখানে দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য ফারমেন্টেড খাবারের গুরুত্ব বেশি। কিমচি, ফারমেন্টেড মূলা বা অন্যান্য বানচান অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এগুলিতে থাকে ফাইবার, ভিটামিন, মিনারেল এবং প্রোটিনের ভালো সমন্বয়।

স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও রয়েছে মিল

ভারতীয় টক দই এবং কোরিয়ান বানচান— দু’টির উপকরণ ও স্বাদ ভিন্ন হলেও লক্ষ্য প্রায় একই। উভয়ই হজমশক্তি উন্নত করতে, অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং মূল খাবারের পুষ্টিমান বাড়াতে সাহায্য করে।

একদিকে ভারতীয় খাদ্যসংস্কৃতিতে দইয়ের শীতলতা ও প্রোবায়োটিক গুণ, অন্যদিকে কোরিয়ান খাবারে ফারমেন্টেড বানচানের বৈচিত্র্য— দুই দেশের নিজস্ব আবহাওয়া, সংস্কৃতি এবং খাদ্যাভ্যাসের প্রতিফলন হলেও সুস্থ অন্ত্র ও সুষম পুষ্টির ক্ষেত্রে দু’টিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *