নতুন প্রতিভার পাশে প্রিয়ঙ্কা!
বলিউড থেকে হলিউড—দুই দুনিয়াতেই নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। অভিনেত্রী হিসেবে সাফল্যের পর এ বার প্রযোজক হিসাবেও নতুন প্রতিভাদের সুযোগ করে দিতে চান তিনি। সম্প্রতি নিজের প্রযোজনা সংস্থা শুরু করার কারণ জানিয়ে প্রিয়ঙ্কা বলেছেন, নতুন ও প্রতিভাবান নির্মাতাদের সামনে এগিয়ে আনাই তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।
এক আলোচনাসভায় প্রিয়ঙ্কা জানান, বর্তমানে নিজের গল্প মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রযুক্তি ও সমাজমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাঁর মতে, কোনও নির্মাতার কাছে যদি ভাল কোনও ভাবনা থাকে, তা হলে এখন আর বড় সুযোগের অপেক্ষায় বসে থাকতে হয় না। নিজের কাজ তৈরি করে তা মানুষের সামনে তুলে ধরা সম্ভব।
প্রিয়ঙ্কা বলেন, ‘‘আপনার যদি ভাল কোনও ভাবনা থাকে, সেটি শুট করে ইউটিউবে তুলে ধরুন। সেটি ভবিষ্যতে বড় কোনও কাজের রূপ নিতে পারে।’’ তাঁর মতে, বর্তমানে বিনোদন জগতে কাজ করার জন্য সময়টা অত্যন্ত উপযুক্ত, কারণ এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় নতুন ভাবনা ও সৃজনশীলতা।
নিজের শুরুর দিনের কথাও স্মরণ করেছেন প্রিয়ঙ্কা। তিনি জানান, চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশের সময় তাঁর কোনও পরিচিতি বা বিশেষ যোগাযোগ ছিল না। তাঁর বাবা-মা দু’জনেই চিকিৎসক হওয়ায় বিনোদন দুনিয়ার পথচলা সম্পর্কে পরিবারের তেমন অভিজ্ঞতা ছিল না। ফলে প্রথম দিকে অনেক কিছু নিজেকেই শিখতে হয়েছে।
অভিনেত্রী আরও জানান, একসময় তাঁকে বলা হয়েছিল ভারতীয় সিনেমা কখনও হলিউডের মতো বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হতে পারবে না। কারণ ভারতীয় ছবিগুলি মূলত হিন্দি, তেলুগু, মরাঠি বা অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষায় তৈরি হয়। তবে সময় বদলেছে বলেই মনে করেন প্রিয়ঙ্কা। ভারতীয় সিনেমার গল্প এখন আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে।
হলিউডে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও স্পষ্ট কথা বলেছেন প্রিয়ঙ্কা। ‘সিটাডেল’-এর মতো আন্তর্জাতিক প্রজেক্টে কাজ করার পরে তিনি আমেরিকায় নিজের কর্মজীবনকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যেতে চান। তাঁর কথায়, ভারতে তিনি অনেক সফল পরিচালক ও অভিনেতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন, বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু ইংরেজি ভাষার আন্তর্জাতিক কাজের ক্ষেত্রে এখনও আরও অনেক কিছু করার বাকি রয়েছে।
প্রযোজনার মাধ্যমে সেই সুযোগ আরও বাড়াতে চান প্রিয়ঙ্কা। তাঁর লক্ষ্য শুধু নিজের জন্য নয়, বরং এমন সব নতুন কণ্ঠস্বরকে সামনে আনা, যাঁদের কাছে ভাল গল্প রয়েছে কিন্তু বড় মঞ্চে পৌঁছানোর সুযোগ এখনও সীমিত।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?