নকআউট নিশ্চিত করেও অখুশি নাগেলসম্যান!
বিশ্বকাপের নকআউটে জায়গা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে জার্মানির। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই শেষ ১৬-তে পৌঁছে গিয়েছে তারা। দীর্ঘ ১২ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে ওঠার সুযোগ পেয়েছে চার বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু এই সাফল্যের মাঝেও পুরোপুরি খুশি নন জার্মানির কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান। তাঁর অসন্তোষের কারণ বিশ্বকাপের সূচি তৈরি করার পদ্ধতি।
ইকুয়েডর ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নাগেলসম্যান জানান, গ্রুপে শীর্ষে থাকার পরেও তাঁদের যেন বাড়তি সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। তাঁর মতে, নকআউটের প্রতিপক্ষ সম্পর্কে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিশ্চিত হতে না পারা প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলছে।
জার্মান কোচ বলেন, “আমার মনে হয় গ্রুপের শীর্ষে শেষ করার জন্যই যেন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। গাণিতিক হিসাব এবং বাকি বিষয়গুলো দেখলে পরিস্থিতি খুব জটিল হয়ে যায়। যত বেশি দল অংশ নিচ্ছে, বিষয়টা তত কঠিন হচ্ছে।”
এ বারের বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বেড়েছে। ফলে গ্রুপ পর্বের সমীকরণও আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল হয়েছে। জার্মানি গ্রুপের শীর্ষে থাকলেও তাদের নকআউটে প্রতিপক্ষ কে হবে, তা আগেভাগে জানতে পারছে না। কারণ নিয়ম অনুযায়ী তাদের খেলতে হবে অন্য কোনও গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকা দলের বিরুদ্ধে।
এই বিষয়টিই সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ফেলেছে নাগেলসম্যানকে। তিনি বলেন, “শনিবারের আগে আমরা জানতে পারব না কার বিরুদ্ধে খেলতে হবে। এটা আদর্শ পরিস্থিতি নয়। তবে আমরা প্রস্তুত। সম্ভাব্য প্রতিপক্ষদের মাথায় রেখে অনুশীলন করেছি।”
প্রতিপক্ষ নিশ্চিত না হওয়ায় কৌশল তৈরি করাও কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে শেষ মুহূর্তের চাপ সামলানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জার্মান কোচ।
নাগেলসম্যান বলেন, “আমরা এমন ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি যাতে প্রতিপক্ষের নাম জানার পর রবিবার বাড়তি চাপ না তৈরি হয়। কারণ সেটিই হবে আমাদের শেষ অনুশীলনের দিন, যেখানে প্রয়োজনে অনেক কিছু বদল করতে হতে পারে।”
তবে এই চাপ সামলানোর জন্য নিজের ও দলের প্রস্তুতির উপর আস্থা রাখছেন তিনি। তাঁর কথায়, “সময় কম, চাপ রয়েছে। কিন্তু আমাদের মতো তরুণ কোচদের প্রয়োজনে রাত জেগেও কাজ করতে হয়।”
নকআউটে ওঠার আনন্দের পাশাপাশি সূচি নিয়ে নাগেলসম্যানের এই ক্ষোভ নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে বিশ্বকাপের ফরম্যাট ও পরিকল্পনা নিয়ে। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এ বার আলোচনায় উঠে এসেছে ফিফার পরিকল্পনাও।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?