ডার্বি ড্রয়ে খানিক এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল, তবু আইএসএল ট্রফির দৌড়ে টিকে মোহনবাগান

ডার্বি ড্রয়ে খানিক এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল! যুবভারতীর গ্যালারিতে ৬২ হাজারেরও বেশি সমর্থকের গর্জন, মাঠে টানটান উত্তেজনা আর শেষ মুহূর্তের নাটক— সব মিলিয়ে কলকাতা ডার্বি আবারও প্রমাণ করল কেন এই ম্যাচ ভারতীয়…

May 18, 2026
1 min read

ডার্বি ড্রয়ে খানিক এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল!

যুবভারতীর গ্যালারিতে ৬২ হাজারেরও বেশি সমর্থকের গর্জন, মাঠে টানটান উত্তেজনা আর শেষ মুহূর্তের নাটক— সব মিলিয়ে কলকাতা ডার্বি আবারও প্রমাণ করল কেন এই ম্যাচ ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে আবেগঘন লড়াই। তবে ১-১ ফলের পরে কোনও দলই পুরোপুরি স্বস্তিতে নেই। তবু আইএসএল ট্রফির লড়াইয়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল।

ম্যাচের ৮৪ মিনিটে এডমুন্ড লালরিন্ডিকার গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তখন মনে হচ্ছিল, লাল-হলুদই বুঝি ডার্বি জিতে লিগ শিরোপার দিকে বড় পদক্ষেপ করে ফেলল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জেসন কামিন্স গোল করে মোহনবাগানকে ম্যাচে ফেরান। ফলে শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ১-১।

এই ড্রয়ের পরেও লিগ টেবিলে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কারণ, শেষ ম্যাচে জিততে পারলেই তাদের হাতে উঠতে পারে প্রথম আইএসএল ট্রফি। অন্য দিকে মোহনবাগানের ভাগ্য এখন আর পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেই। শুধু নিজেদের ম্যাচ জিতলেই হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে ইস্টবেঙ্গলের ফলাফলের দিকেও।

ইস্টবেঙ্গলের সামনে অঙ্কটা তুলনায় সহজ। ২১ মে ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে জিতলেই তারা চ্যাম্পিয়ন। সে ক্ষেত্রে অন্য কোনও দলের ফলাফলের দিকে তাকাতে হবে না। তবে গোলপার্থক্যের হিসেব মাথায় রাখতে হবে। যদি ইস্টবেঙ্গল ড্র করে, তা হলে মোহনবাগানকেও তাদের ম্যাচ ড্র করতে হবে। পাশাপাশি পঞ্জাব ও মুম্বইয়ের ম্যাচও অমীমাংসিত থাকতে হবে। আবার ইস্টবেঙ্গল হারলে, মোহনবাগানকেও হারতে হবে এবং অন্য ম্যাচের ফলও তাদের অনুকূলে যেতে হবে।

মোহনবাগানের পথটা অনেক বেশি কঠিন। প্রথম শর্তই হল, শেষ ম্যাচে জিততেই হবে। কিন্তু শুধু জিতলেই হবে না। ইস্টবেঙ্গল যদি নিজেদের ম্যাচ জিতে যায়, তা হলে গোলপার্থক্যে তাদের টপকাতে হবে সবুজ-মেরুনকে। সেই কারণে বড় ব্যবধানে জয়ের প্রয়োজন হতে পারে। পরিস্থিতি এমনও হতে পারে যে, অন্তত সাত গোলের ব্যবধানে জিততে হবে মোহনবাগানকে। ইস্টবেঙ্গল যত বেশি গোলের ব্যবধানে জিতবে, বাগানের উপর চাপও তত বাড়বে।

যদি মোহনবাগান ড্র করে, তা হলে ইস্টবেঙ্গলকে হারতেই হবে। পাশাপাশি পঞ্জাব-মুম্বই ম্যাচ ড্র হওয়াও জরুরি। আর যদি মোহনবাগান নিজেদের ম্যাচ হেরে যায়, তা হলে তাদের সব সম্ভাবনাই শেষ হয়ে যাবে।

ডার্বির পরে দুই দলের শরীরী ভাষাতেও সেই পার্থক্য ধরা পড়েছে। ইস্টবেঙ্গল শিবিরে আত্মবিশ্বাসের ছাপ স্পষ্ট। কারণ, ট্রফি এখন তাদের হাতের নাগালেই। অন্য দিকে মোহনবাগান জানে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে হলেও এখন ভাগ্যের সাহায্যও দরকার।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *