ডায়াবিটিস থাকলে ডাবের জল খাওয়া যাবে?
গরমে শরীর ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে ডাবের জলের জুড়ি নেই। এতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম ও ক্যালশিয়ামের মতো বিভিন্ন খনিজ রয়েছে। শরীরকে আর্দ্র রাখার পাশাপাশি ব্যায়ামের পরও ডাবের জল উপকারী হতে পারে। কিন্তু ডায়াবিটিস থাকলে এই পানীয় কতটা নিরাপদ? ডাবের জল খেলে কি রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে?
ডাবের জলে মূলত কার্বোহাইড্রেট থাকে। তাই ডায়াবিটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে নজর রাখা জরুরি। বেঙ্গালুরুর চিকিৎসক যোগেন্দ্র রেড্ডির মতে, ডাবের জলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলক ভাবে কম। এতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম ইনসুলিনের কার্যকারিতায় সাহায্য করতে পারে। ফলে ডায়াবিটিস থাকলেও পরিমিত পরিমাণে ডাবের জল খাওয়া যেতে পারে।
দিনে কতটা ডাবের জল?
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, দিনে একটির বেশি ডাব না খাওয়াই ভাল। বিশেষ করে খালি পেটে ডাবের জল খাওয়া এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। কারণ, খালি পেটে পান করলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত কিছুটা বেড়ে যেতে পারে। তাই কিছু খাওয়ার পরে ডাবের জল খাওয়া তুলনামূলক ভাবে ভাল।
ডাবের মালাই বা শাঁসও ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কিডনির সমস্যা থাকলে সতর্ক
ডায়াবিটিসের পাশাপাশি কিডনির সমস্যা থাকলে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। ডাবের জলে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকায় কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে এটি সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই কিডনির অসুস্থতা থাকলে ডাবের জল খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
তাহলে ডায়াবিটিসে ডাবের জল?
| বিষয় | কী মনে রাখা ভাল |
|---|---|
| ডাবের জল | পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে |
| পরিমাণ | দিনে সর্বোচ্চ একটি ডাব |
| খালি পেটে | এড়িয়ে চলা ভাল |
| ডাবের মালাই | না খাওয়াই ভাল |
| কিডনির সমস্যা | চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি |
অর্থাৎ, ডায়াবিটিস থাকলেই ডাবের জল পুরোপুরি নিষিদ্ধ—এমন নয়। তবে পরিমাণ, খাওয়ার সময় এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যা বিবেচনা করেই এটি পান করা উচিত
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।