আবার কি এক ফ্রেমে দেব-রুক্মিণী?
টলিউডে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে একটাই প্রশ্ন—দূরত্ব কি সত্যিই মুছে যাচ্ছে? ফের কি পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে দেব আর রুক্মিণী মৈত্রকে? দীর্ঘদিনের জল্পনার মাঝেই নতুন করে আশার আলো দেখছে ইন্ডাস্ট্রি।
গত বছর ‘ধূমকেতু’ মুক্তির ঠিক আগেই দেব-রুক্মিণী সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়ায়। ছবিতে দেবের নায়িকা ছিলেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, আর প্রচারের সময় কোথাও দেখা যায়নি রুক্মিণীকে। সেখান থেকেই শুরু—তবে কি বাস্তবের যুগলের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে? সমাজমাধ্যমে প্রশ্নের বন্যা বয়ে গেল। যদিও দেব ও রুক্মিণী বারবার জানিয়েছেন, তাঁদের সম্পর্কে কোনও বদল হয়নি। কিন্তু জল্পনার আগুন তাতে থামেনি।
আরও একটা কারণ ছিল। ‘ব্যোমকেশ ও দুর্গ রহস্য’-র পর প্রায় তিন বছর ধরে বড়পর্দায় দেব-রুক্মিণীকে একসঙ্গে দেখা যায়নি। ফলে অনুরাগীদের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হয়েছে।
ঠিক সেই সময়েই টলিপাড়ায় শোনা গেল নতুন খবর। অন্দরের গুঞ্জন বলছে, স্বাধীনতা দিবসে দেবের নতুন ছবি ‘অ্যাম্বুল্যান্স দাদা’তে নাকি ফের এই জনপ্রিয় জুটিকে দেখা যেতে পারে। পরিচালনায় বিনয় মুদগিল। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু হবে শুটিং। যদিও এখনও পর্যন্ত ছবির নায়িকা হিসেবে কার নাম চূড়ান্ত, তা প্রকাশ্যে আনেননি নির্মাতারা।
এই ছবিটি দেবের কেরিয়ারে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ‘অ্যাম্বুল্যান্স দাদা’ তাঁর ৫০তম ছবি। বাস্তবের নায়ক করিমুল হকের জীবনের উপর ভিত্তি করেই এই গল্প। উত্তরবঙ্গের করিমুল নিজের মাকে সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে না পারার যন্ত্রণা থেকেই শুরু করেছিলেন এক মানবিক যাত্রা। বাইকে করেই বিনা পয়সায় অসুস্থ মানুষদের হাসপাতালে পৌঁছে দিতেন তিনি। তাঁর এই নিঃস্বার্থ কাজের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পদ্মসম্মানও পেয়েছেন করিমুল।
দেব আগেই জানিয়েছিলেন, করিমুলের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগতভাবে দেখা হয়েছে। মাটির কাছাকাছি থাকা এই মানুষটির জীবন তাঁকে গভীরভাবে ছুঁয়েছে। চরিত্রটিকে বুঝতে উত্তরবঙ্গে গিয়ে সময় কাটানোর পরিকল্পনাও রয়েছে অভিনেতার। কলকাতা ও জলপাইগুড়ি মিলিয়ে হবে ছবির শুটিং।
এই ছবির সহ-প্রযোজনা করছে নন্দী মুভিজ। যদিও দেব বা প্রযোজনা সংস্থার তরফে এখনও দেব-রুক্মিণীর জুটি নিয়ে মুখ খোলা হয়নি। তবু টলিপাড়ার অন্দরের গুঞ্জন বলছে, অপেক্ষা ফুরোতে পারে খুব শিগগিরই।
তাহলে কি সত্যিই আবার এক ফ্রেমে ফিরছেন দেব-রুক্মিণী? অনুরাগীদের চোখ এখন সেই ঘোষণার দিকেই।
বেজিঙে অস্বস্তির ঝড়: শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধেই পরমাণু গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ