ঝাঁসি হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডে ১০ শিশুর মৃত্যু, গাফিলতির রিপোর্ট তলব মানবাধিকার কমিশনের

ঝাঁসি হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডে ১০ শিশুর মৃত্যু ঝাঁসির মহারানি লক্ষ্মীবাঈ মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারাল ১০ শিশু। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) এই মর্মান্তিক…

November 17, 2024
1 min read

ঝাঁসি হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডে ১০ শিশুর মৃত্যু

ঝাঁসির মহারানি লক্ষ্মীবাঈ মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারাল ১০ শিশু। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ৪৫ শিশুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাটি নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছ থেকে বিশদ রিপোর্ট তলব করেছে।

তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং পুলিশ মহাপরিচালককে চিঠি দিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চেয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অগ্নিকাণ্ডের কারণ হিসেবে শর্ট সার্কিটের কথা উঠে এলেও, কমিশন এতে সন্তুষ্ট নয়। তারা মনে করছে, ঘটনাটিতে বড় ধরনের গাফিলতি ছিল। বিশেষ করে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা এবং ফায়ার অ্যালার্ম যথাযথভাবে কাজ করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

হাসপাতালের দাবি ও পাল্টা প্রশ্ন

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তাদের পরিকাঠামোয় কোনও ত্রুটি ছিল না। কিন্তু জাতীয় মানবাধিকার কমিশন জানিয়েছে, সদ্যোজাত শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা ব্যর্থ। শিশুগুলির পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা একটি সরকারি হাসপাতালের এমন গাফিলতি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং হৃদয়বিদারক।

চার সদস্যের তদন্ত কমিটি

এই ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ করা শুরু হয়েছে। মানবাধিকার কমিশন স্পষ্ট করেছে যে, যারা আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের পরিবারের জন্য উপযুক্ত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা এড়ানো যায়, তার জন্য সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের মুহূর্ত

অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে। হাসপাতালের এনআইসিইউ-তে আচমকা ধোঁয়া এবং আগুন দেখা যায়। তৎক্ষণাৎ উদ্ধারকাজ শুরু হয়। ৪৫ শিশুকে সেখান থেকে সরিয়ে আনা হলেও, ১০ জনকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। উদ্ধার হওয়া শিশুদের মধ্যে ১৬ জনের অবস্থা এখনও সংকটজনক।

মানবাধিকার কমিশনের অবস্থান

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মতে, হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার ত্রুটি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। কমিশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের তরফ থেকে গাফিলতি হয়েছিল। ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়, সেই ব্যবস্থাও করতে হবে।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *