জাতীয় পুরস্কার হাসিমুখে গ্রহণ, কিন্তু রানির অভিযোগ ‘অন্যায়’

কিন্তু রানির অভিযোগ ‘অন্যায়’ ২৩ সেপ্টেম্বর ছিল ৭১তম জাতীয় পুরস্কার বিতরণের দিন। রাষ্ট্রপতি দৌপ্রদী মুর্মুর হাত থেকে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার হাসিমুখে গ্রহণ করেন রানি মুখোপাধ্যায়। মঞ্চে আনন্দের ছোঁয়া থাকলেও মুম্বই…

September 27, 2025
0 min read

কিন্তু রানির অভিযোগ ‘অন্যায়’

২৩ সেপ্টেম্বর ছিল ৭১তম জাতীয় পুরস্কার বিতরণের দিন। রাষ্ট্রপতি দৌপ্রদী মুর্মুর হাত থেকে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার হাসিমুখে গ্রহণ করেন রানি মুখোপাধ্যায়। মঞ্চে আনন্দের ছোঁয়া থাকলেও মুম্বই ফেরার পথে অভিনেত্রী নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রকাশ করেন এক চ্যালেঞ্জিং সত্য—পুরস্কার গ্রহণের দিনটি তার জন্য পুরোপুরি অন্যায়ে ভরা ছিল।

সেই দিন সেরা অভিনেতা হিসাবে পুরস্কার গ্রহণ করেন শাহরুখ খান ও বিক্রান্ত ম্যাসে। মঞ্চে একসঙ্গে থাকা সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তিগত অসুবিধা হয়নি। রানির অভিযোগ মূলত জাতীয় পুরস্কারের নিয়মাবলীর বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, নিজের জীবনের এই বিশেষ দিনটি মেয়ে আদিরার সঙ্গে ভাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের অনুমতি না থাকার কারণে ১০ বছরের আদিরা তার সঙ্গে থাকতে পারেনি।

রানি মন্তব্য করেন, “মেয়ে আমার সঙ্গে যেতে চেয়েছিল। যখন জানানো হল ১৪ বছরের কম বয়সীরা আসতে পারবে না, তখন সে রেগে গজগজ করতে থাকে। সত্যিই খুব অন্যায় হয়েছে। মেয়েকে আশ্বস্ত করি, ‘ওই দিন তুমি আমার সঙ্গেই থাকবে’। আদিরা আমার জন্য সবসময় শুভ।’’

যদিও মঞ্চে আদিরা থাকতে পারেননি, রানি তাকে সারা অনুষ্ঠানের সময় অন্তরে সঙ্গে রাখেন। অভিনেত্রী গলায় যে সরু হারটি পরেছিলেন, সেখানে লেখা ছিল আদিরার নাম। পুরস্কার গ্রহণের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার জন্য সঙ্গে সঙ্গে মেয়েকে ভিডিও কল করে দেখান সব ঘটনার খোঁজ।

রানির এই কৌশল এবং ছোট্ট প্রতীকিক ভঙ্গি দেখায়, একজন মা কিভাবে নিজের সন্তানের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখেন, এমনকি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ভিড়পূর্ণ অনুষ্ঠানের সময়েও। ছোট্ট আদিরার পরিচয় দর্শকদের চোখে ধরা পড়েনি, এবং তার ছবি তোলার সুযোগ কেউ পাননি। হয়তো তাই অনুষ্ঠান চলাকালীন রানি অনুরাগীরা দেখতে পেতেন না আদিরার মুখ।

অন্যদিকে, এই ঘটনা জাতীয় পুরস্কারের নিয়মাবলীর প্রতি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। যেখানে ছোট শিশুদের প্রবেশাধিকার সীমিত, সেখানে অভিনেত্রীরা ব্যক্তিগতভাবে সেই সীমাবদ্ধতার সাথে কীভাবে মানিয়ে নেন, সেটিও নজর কাড়ে।

সারমর্মে বলা যায়, হাসিমুখে পুরস্কার গ্রহণের মুহূর্তেও রানি মুখোপাধ্যায় এক মা হিসেবে নিজের আবেগ ও দায়িত্বকে স্পষ্ট করেছেন। রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার নেওয়া আনন্দের সঙ্গে মিশে ছিল সন্তানের সঙ্গে সংযোগের গভীর অনুভূতি এবং সরকারি নিয়মাবলীর সীমাবদ্ধতা নিয়ে অসন্তোষ। এই মিশ্র অনুভূতি দিয়েই রানি পুরো দিনটি স্মরণীয় করে রাখলেন—একদিকে পেশাদারিত্বের উদাহরণ, অন্যদিকে মাতৃত্বের উষ্ণতা।

ব্যালকনির উপর উড়ালপুল! নাগপুরের সেতু স্মরণ করাচ্ছে ভোপালের ৯০ ডিগ্রি রেলসেতুর ঘটনার কথা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *