‘ভিগান’ পথে বিরাট! নতুন ট্রেন্ডে চমক কী?
খাবারের অভ্যাস বদলে বহু আগেই ‘ভিগান’ জীবনযাপনের পথে হাঁটতে শুরু করেছিলেন Virat Kohli। এ বার সেই জীবনধারার ছাপ পড়ল তাঁর শরীরেও! আইপিএল ২০২৬-এর আগে নতুন একটি ট্যাটু করিয়েছেন তিনি— আর সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কারণ, এটি সাধারণ ট্যাটু নয়, বরং ‘ভিগান ট্যাটু’।
ভিগান ট্যাটু আসলে কী?
অনেকেই ভিগান ডায়েট সম্পর্কে জানেন— যেখানে মাংস, ডিম, দুধসহ সমস্ত প্রাণিজ উপাদান এড়িয়ে চলা হয়। কিন্তু ট্যাটুর সঙ্গেও যে ‘ভিগান’ ধারণার যোগ থাকতে পারে, তা অনেকের কাছেই নতুন।
আসলে, আগে ট্যাটুর কালি তৈরিতে বিভিন্ন প্রাণিজ উপাদান ব্যবহার করা হত। যেমন—
- গ্লিসারিন (প্রাণীজ চর্বি থেকে)
- জিলেটিন
- এমনকি হাড়ের গুঁড়ো
এসব উপাদান কালির ঘনত্ব ও স্থায়িত্ব বাড়াতে সাহায্য করত। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। আধুনিক ট্যাটু ইঙ্কে ব্যবহার করা হচ্ছে উদ্ভিজ্জ বা সম্পূর্ণ সিন্থেটিক উপাদান। আর এই ধরনের কালিই ‘ভিগান ইঙ্ক’ নামে পরিচিত।
কেন এই ট্যাটু নিয়ে এত আলোচনা?
Virat Kohli-এর নতুন ট্যাটুর মাধ্যমে এই বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কারণ, তাঁর মতো জনপ্রিয় তারকা যখন কোনও জীবনধারা অনুসরণ করেন, তা দ্রুতই সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রভাব ফেলে।
বিশেষ করে যারা পরিবেশ সচেতন বা প্রাণী-অধিকার নিয়ে ভাবেন, তাঁদের কাছে ভিগান ট্যাটু এখন আকর্ষণীয় বিকল্প।
ভিগান ট্যাটু স্টুডিয়ো— শুধু কালি নয়, আরও অনেক কিছু
একটি ট্যাটু ‘ভিগান’ হতে গেলে শুধু কালি বদলালেই হয় না। পুরো প্রক্রিয়াটিই হতে হবে প্রাণিজ উপাদানমুক্ত। যেমন—
- ট্যাটুর আগে ব্যবহৃত রেজ়ার
- ট্রেসিং পেপার
- সাবান বা ক্লিনিং প্রোডাক্ট
- ট্যাটুর পর ব্যবহৃত ক্রিম বা আফটার-কেয়ার
অনেক স্টুডিয়ো এখন দাবি করছে, তারা এই সব ক্ষেত্রেই ভিগান নিয়ম মেনে চলে।
দাম কি বেশি?
শুরুর দিকে ভিগান ট্যাটুর খরচ কিছুটা বেশি ছিল, কারণ বেশিরভাগ কালি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হত। তবে এখন ভারতে এই প্রযুক্তি সহজলভ্য হওয়ায় সাধারণ ট্যাটুর সঙ্গে দামের তফাত খুব বেশি নেই।
শেষ কথা
ভিগান জীবনযাপন এখন শুধু খাবার বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই— তা ছড়িয়ে পড়ছে দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে। ট্যাটুও তার ব্যতিক্রম নয়।
Virat Kohli-এর এই নতুন উদ্যোগ হয়তো আরও অনেককে সচেতন করবে— শরীরের সাজেও পরিবেশ ও নৈতিকতার কথা ভাবা যায়। ট্রেন্ড বদলাচ্ছে, আর সেই পরিবর্তনের দিশা দেখাচ্ছেন তারকারাই।
শেষ লড়াইয়ের গল্প: জল থেকে তোলার পরও বেঁচে ছিলেন রাহুল, তবু বাঁচানো গেল না