প্রাণ গেল তরুণ টেনিস তারকার!
২৫ বছর বয়সী রাজ্যস্তরের টেনিস প্লেয়ার রাধিকা যাদব, যিনি তার নিজের টেনিস অ্যাকাডেমি চালাতেন, গুলিতে নিহত হন – সেটি ঘটেছিল বুধবার দুপুরে, গুরুগ্রামের সুশান্ত লোকের বাড়িতে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিনি রান্নাঘরে রাঁধছিলেন, তখনই তাঁর বাবা দীপক যাদব পেছন থেকে তাঁর উপর পরপর পাঁচটি গুলি চালান, যার তিনটি গাঢ়ভাবে নিদান করে গিয়ে রাধিকার মৃত্যু হয় ।
ঘটনার পেছনের কারণ: বাবা–মেয়ের চলমান দ্বন্দ্ব
- পুলিশি তদন্ত থেকে জানা যায়: দীপক যাদব দীর্ঘদিন ধরে কনিষ্ঠ কন্যার ইনস্টাগ্রামে রিল তৈরি ও সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তা নিয়ে বিরক্ত ছিলেন।
- এছাড়া, রাধিকা তার টেনিস অ্যাকাডেমি চালিয়ে যা উপার্জন করতেন, তা নিয়েও প্রতিভাত হয় তাঁর মনের দিক থেকে: গ্রামবাসী তাঁকে “মেয়ের টাকায় বেঁচে আছিস” বলে গালিগালাজ করতেন, যা দীপককে মানসিকভাবে দুর্ভাগ্য ও লজ্জায় ফেলে।
- দীপক জানিয়েছেন, অনেকবার বলার পরও রাধিকা তার অ্যাকাডেমি বন্ধ করেননি – এবং তার উত্তরে তিনি রাগের মাথায় গুলি করেন ।
গবেষণার বিবরণ
- রাধিকা ITF ডাবলসে ১১৩ নম্বর, হরিয়ানায় মহিলা ডাবলসে ৫ নম্বর খেলোয়াড় ছিলেন ।
- রিক্তি ফেডারপার্ষি (Radhika) কিছুদিন কাঁধে চোট পেয়ে খেলাটা ছেড়ে দেওয়ার পর অ্যাকাডেমি চালু করেছিলেন ।
কার্যকর পুলিশি পদক্ষেপ
- দীপক যাদবকে গ্রেফতার করে তাঁর দুটি লাইসেন্সকৃত বন্দুক বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ ।
- মামলাটি রাধিকার চাচা কুলদীপ যাদব লিখিত অভিযোগ দায়িরের মাধ্যমে শুরু হয় ।
সহানুভূতির সাড়া
- টেনিস মহলে রাধিকার মৃত্যুতে শোক ও সহানুভূতির জোয়ার বইছে। খেলোয়াড়রা বলেছেন, “She had the prettiest smile”, এবং “This is so heartbreaking and disturbing”
বিশ্লেষণ ও চিন্তাভাবনা
এই নির্মম ঘটনা শুধুমাত্র পারিবারিক কলহ নয়, বরং পারিবারিক গর্ব, সমাজের অবমাননাকর সংস্কৃতি ও জাতিগত লিঙ্গভিত্তিক মূল্যবোধের ভয়াবহ ছাপও তুলে ধরে। রাধিকার মত একজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণীর জীবন এভাবে শেষ হওয়া, তার দিকে দৃষ্টিপাত করলে আমাদের সমাজের এমন ধ্যান-ধারার প্রতি গভীর সংশয় উহি।
গুগ্ল ড্রাইভের জায়গা শেষ? টাকা না খরচ করেও ১৫ জিবির বাইরে স্টোরেজ বাঁচানোর ৫টি কার্যকরী উপায়